Kolaghat: কোলাঘাটে স্নানের সময় মহিলাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ, অভিযুক্তকে গণধোলাই, গ্রেফতার করল পুলিশ
নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছিল গত বৃহস্পতিবার। কোলাঘাট থানার অন্তর্গত বারপারিট গ্রামে এক মহিলা স্নান করছিলেন।

বিটন চক্রবর্তী, কোলাঘাট: পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে এক মহিলাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহের অভিযোগ। অভিযুক্ত দেখতে পেয়ে গণধোলাই উত্তেজিত জনতার। পরে পুলিশ এসে গ্রেফতার করে অভিযুক্ত যুবককে।
নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছিল গত বৃহস্পতিবার। কোলাঘাট থানার অন্তর্গত বারপারিট গ্রামে এক মহিলা স্নান করছিলেন। সেই সময় এক যুবক তাঁকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। পার্শ্ববর্তী কুমারহাট গ্রামে ওই যুবকের বাড়ি বলে জানা গিয়েছে। গতকাল ওই যুবককে কুমারহাট গ্রামে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তখনই কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ওই যুবককে ধরে ফেলেন। এরপর একে একে জড়ো হতে থাকেন আরও লোকজন।
এরইমধ্যে জনতা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। অভিযুক্ত যুবকের ওপর চড়াও হন স্থানীয় মহিলারা। এরপর সবাই মিলে রীতিমতো গণধোলাই দেওয়া হয় অভিযুক্ত যুবককে। এরপর কোলাঘাট থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। পুরো ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় কোলাঘাট থানার পুলিশ। গতকাল রাতেই নির্যাতিতা মহিলার ছেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে
এদিকে, মালদার মোথাবাড়িতে ২ মেয়ে-সহ বধূকে অপহরণের অভিযোগ।৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১১ দিন পর মুক্তি মেলে বলে দাবি নির্যাতিতার।প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ মালদার মোথাবাড়ির এক গৃহবধূর।পরিবার সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের ঠানের বাসিন্দা এক মহিলার স্বামী কয়েক বছর আগে মোথাবাড়ির পৈত্রিক গ্রামে নাবালক পুত্রের নামে ২ বিঘা জমি কেনেন।গত বছর ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলে ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে পৈত্রিক গ্রামে চলে আসেন ওই গৃহবধূ।তাঁর দাবি, গত বছর প্রতিবেশীর থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা ঋণ নেন তিনি। এরপর থেকেই ঋণের বদলে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রতিবেশী চাপ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। গত ১১ মেআদালতে যাওয়ার পথে ইংরেজবাজারের রথবাড়ি থেকে ২ মেয়ে-সহ মহিলাকে অপহরণ করে ওই প্রতিবেশী। পরে আত্মীয়দের সাহায্যে ৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ১১ দিন পর ছাড়া পান ওই মহিলা ও তাঁর দুই মেয়ে। বাড়ি ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগ, এ নিয়ে মোথাবাড়ি ও ইংরেজবাজার থানার মধ্যে চাপানউতোর শুরু হওয়ায়, এফআইআর দায়ের করা যায়নি। বাধ্য হয়ে মালদা জেলা আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালতের নির্দেশে গত শুক্রবার ইংরেজবাজার থানায় এফআইআর দায়ের হয়।ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত।






















