জম্মু-কাশ্মীর: বারামুল্লায় পাকড়াও জঙ্গি, শান্তি বজায় থাকলেও থমথমে উপত্যকা
কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটলেও, উপত্যকায় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা বজায় রাখার ফলে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটের ওপর এখনও শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

শ্রীনগর: নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষবিরতি চুক্তিভঙ্গের ঘটনার মধ্যেই উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় এক জঙ্গিকে হাতেনাতে পাকড়াও করল নিরাপত্তাবাহিনী। খবরে প্রকাশ, সোমবার রাত সওয়া দশটা নাগাদ দেলিনা গ্রামের কাছে জম্মু পুলিশ ও সেনার যৌথ ছাউনি লক্ষ্য করে একটি ট্রাক থেকে এলোপাথারি গুলিবর্ষণ শুরু হয়। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ট্রাকটি ঘিরে ফেলে এক জঙ্গিকে আটক করে বাহিনী। তার কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, আরেক জঙ্গি সেখান থেকে চম্পট দেয়। তাকে ধরার জন্য এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এদিকে, চলতি মাসের প্রথম দুসপ্তাহ কিছুটা কমালেও, শেষ অর্ধে নিয়ন্ত্রণরেখা জুড়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তিভঙ্গের ব্যাপকতা লাগাতার বাড়িয়ে চলেছে পাকিস্তান। সোমবার, পুঞ্চ জেলার একাধিক জায়গায় বিনা প্ররোচনায় গুলিবর্ষণ শুরু করেছে পাক সেনা। তবে, ভারতের দিকে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। অন্যদিকে, কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটলেও, উপত্যকায় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা বজায় রাখার ফলে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটের ওপর এখনও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। যদিও, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখনও শিকেয়। পরিস্থিতি এখনও থমথমে। জম্মু-কাশ্মীরের এই পরিস্থিতি এই নিয়ে ২৩ দিন পার করল। গত ৫ অগাস্ট রাজ্য থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেই থেকে মোবাইল পরিষেবা ও ইন্টারনেট বন্ধ। ল্যান্ডলাইন কিছু জায়গায় চালু হয়েছে। শিক্ষা থেকে শুরু করে দোকানপাট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির কাজ শিকেয় উঠেছে। বেসরকারি স্কুলগুলি বন্ধ। সরকারি স্কুল খুললেও, পড়ুয়ার দেখা নেই। রাস্তা শুনশান। গুটিকয়েক লোক থাকলেও, পরিবহণ কার্যত উধাও।






















