E-10 Petrol: ই-১০ পেট্রোল ফিরিয়ে আনার কথা ভাবছে সরকার ! এতে কী সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ ? জানুন
Goverment Bringing Back E10 Petrol: সরকার পুরোনো পেট্রোল চালিত গাড়ি ও দু-চাকার যানবাহনের জন্য ই-১০ পেট্রোলের বিকল্প চালু করার কথা পুনরায় ভাবছে। কারণ কী? কী সুবিধা মিলবে এতে ?

দিল্লি: E-20 পেট্রোল নিয়ে বিতর্কের মাঝে E-10 নিয়ে নয়া খবর। পেট্রোলের ক্ষেত্রে ভারতে একটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমানে দেশজুড়ে ই-২০ পেট্রোলের ব্যবহার বেড়েছে, কিন্তু সরকার পুরোনো পেট্রোল চালিত গাড়ি ও দু-চাকার যানবাহনের জন্য ই-১০ পেট্রোলের বিকল্প চালু করার কথা পুনরায় ভাবছে।
ই-১০ পেট্রোলে ১০% ইথানল এবং বাকিটা পেট্রোল থাকে, অন্যদিকে বর্তমান ই-২০ পেট্রোলে ২০% ইথানল থাকে। সরকার এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে তারা প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করছে যে, পুরোনো যানবাহনের জন্য ই-২০-এর পাশাপাশি ই-১০ পেট্রোল পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিনা।
সরকার কেন এটি নিয়ে চিন্তা করছে ?
এই পুরো সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ হলো দেশে চলাচলকারী পুরোনো পেট্রোল চালিত যানবাহনগুলো। ভারতে এমন অনেক গাড়ি ও বাইক রয়েছে যেগুলো মূলত ই-১০ পেট্রোলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, অর্থাৎ এই যানবাহনগুলোর জন্য ১০% পর্যন্ত ইথানলযুক্ত পেট্রোল উপযুক্ত বলে মনে করা হতো। অন্যদিকে, ই-২০ পেট্রোল এখন সাধারণ পেট্রোল হিসেবেই ক্রমশ সহজলভ্য হচ্ছে। তবে এই পেট্রোল নিয়ে নানা বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
অনেক পুরোনো গাড়ির ব্যবহারকারী ম্যানুয়ালেও ১০% এর বেশি ইথানলযুক্ত পেট্রোল ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কিছু পুরোনো হুন্দাই মডেলের ম্যানুয়ালে ই-১০ এর বেশি ইথানলযুক্ত জ্বালানি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গাড়ির মালিকরা ভাবছেন, যদি তাদের গাড়িগুলো ই-১০ এর জন্য ডিজাইন করা হয়ে থাকে, তাহলে এখন কেন তাদের ই-২০ পেট্রোল ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে, ই-২০ পেট্রোলের ওপর ব্যাপক পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং পুরোনো যানবাহনে এর ব্যবহারে ইঞ্জিনের সেভাবে কোনও ত্রুটি দেখা যায়নি। সরকার মারুতি সুজুকির সার্ভিস ডেটারও উল্লেখ করেছে। এই ডেটা অনুসারে, প্রাথমিকভাবে ই-২০ ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয় এমন প্রায় দেড় কোটি পুরোনো গাড়ির সার্ভিস ডেটা পর্যালোচনা করা হয়েছে, কিন্তু ই-২০ ব্যবহারের কারণে ইঞ্জিনের কোনও ক্ষতি দেখা যায়নি। এর মানে এই নয় যে ই-২০ এবং ই-১০ এর মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। সরকারও স্বীকার করে যে, কিছু পুরোনো যানবাহনে ই-২০ ব্যবহার করলে মাইলেজ সামান্য কমে যেতে পারে। এছাড়াও, দীর্ঘদিন এটি ব্যবহার করলে, পুরোনো যানবাহনগুলিতে সিল বা গ্যাসকেটের মতো নির্দিষ্ট কিছু রাবারের যন্ত্রাংশ আরও দ্রুত প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে।
ই-১০ চালু হলে গাড়ির মালিকরা কী সুবিধা পাবেন ?
সরকার যদি ই-১০ পেট্রোল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে পুরোনো পেট্রোল গাড়ির মালিকদের জ্বালানি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা। ই-১০ এ ই-২০ এর তুলনায় অর্ধেক পরিমাণ ইথানল থাকে। সাধারণ পেট্রোলের চেয়ে ইথানলে প্রতি লিটারে শক্তি কম থাকে, তাই কম ইথানলযুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করলে মাইলেজের উপর এর প্রভাব কিছুটা কমতে পারে। এর পাশাপাশি, যেসব গাড়ির ম্যানুয়ালে ই-১০ বা তার কম ইথানলযুক্ত পেট্রোল ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে, সেইসব গাড়ির মালিকদের দুশ্চিন্তাও কমতে পারে। সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ই-১০ পেট্রোলের সরবরাহ ও বিতরণ। যদি বাজারে ই-১০ এবং ই-২০ উভয় প্রকার পেট্রোল বিক্রি করা হয়, তবে তেল কোম্পানি এবং পেট্রোল পাম্পগুলোকে দুই ভিন্ন ধরনের পেট্রোল মজুত ও সরবরাহ করতে হবে। এর জন্য পৃথক মজুত, পরিবহন এবং বিতরণের ব্যবস্থারও প্রয়োজন হতে পারে।
Before You Go
BJP Government in Bengal | পছন্দ হয়নি মিষ্টি, Gupta Brothers-এর দোকানে BJP যুবনেতার দাদাগিরি






















