America Shootout: আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠকে গুলি করে খুন! উত্তাপ ছড়াল মার্কিন রাজনৈতিক মহলে
ভাষণ চলাকালীন কাছের একটি বিল্ডিং থেকে কার্ককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে আততায়ী।

আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠকে গুলি করে খুন। উটা ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠান চলাকালীন শ্যুটআউট। গুলিতে মৃত্যু ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্কের, গ্রেফতার অভিযুক্ত। আরও কেউ শ্যুটআউটের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, এই সন্দেহে চলছে তল্লাশি। চার্লি কার্ককে লক্ষ্য করে একটিই গুলি চালায় আততায়ী, খবর পুলিশ সূত্রে।
ভাষণ চলাকালীন কাছের একটি বিল্ডিং থেকে কার্ককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে আততায়ী। চার্লি কার্কের মৃত্যুতে সোশাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের। রিপাবলিকান পার্টির তরুণ ভোটারদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন কার্ক।
গভর্নর কক্স বলেন, আজ আমাদের রাজ্যের জন্য একটি কালো দিন। এটি আমাদের জাতির জন্যও একটি মর্মান্তিক দিন। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটি একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।
যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হেফাজতে আছেন। তবে এর কয়েক মিনিট পর এক সংবাদ সম্মেলনে ইউটাহ পাবলিক সেফটি কমিশনার বো ম্যাসন বলেন, সন্দেহভাজন এখনো পলাতক। ওই সংবাদ সম্মেলনে এফবিআইয়ের এক সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘মহান ও কিংবদন্তি চার্লি কার্ক আর নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুবসমাজকে বোঝার বা তাদের হৃদয় জয় করার ক্ষমতা চার্লির চেয়ে বেশি আর কারও ছিল না। সবাই তাঁকে ভালোবাসত ও প্রশংসা করত, বিশেষ করে আমি। এখন তিনি আমাদের মাঝে আর নেই।’
এ ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ক স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের ওরেম শহরের ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। কার্ক তাঁর ঘাড়ের দিকে হাত বাড়ান এবং চেয়ার থেকে পড়ে যান। উপস্থিত দর্শকেরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন।






















