Budget 2026: 'দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক আর রাজনৈতিক সমস্যার কোনও সমাধানই দিতে পারল না এই বাজেট', সমালোচনা মল্লিকার্জুন খাড়গের
Mallikarjun Kharge on Budget 2026: বাজেট পেশের পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে খোদ নরেন্দ্র মোদি এই বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেও, বিরোধীরা এই বাজেটকে কটাক্ষ করেছেন

কলকাতা: এই প্রথম রবিবার পেশ হল কেন্দ্রীয় বাজেট। কয়েক মাস পরেই দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে, পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এটাই তৃতীয় মোদি সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। প্রবাসী ভারতীয় বা NRI-র দেরও বাজেটে সুখবর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় সংস্থাকে মূলধন পণ্য দিলে পাঁচ বছরের জন্য আয়কর ছাড় পাবেন প্রবাসী ভারতীয়রা। প্রবাসী ভারতীয়দের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ম বদল। বাধ্যতামূলক TDS। ছোট করদাতাদের জন্য বিদেশে থাকা সম্পদ ঘোষণার নতুন স্কিম।
অন্যদিকে, চিকিৎসায় কিছুটা হলেও কমল 'চিন্তা'... তৃতীয় মোদি সরকারের দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেটে একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমল। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ক্যানসারের ১৭ টি ওষুধ, ডায়াবেটিস, হার্ট, কিডনি, লিভারের পাশাপাশি ৭ বিরল রোগের ওষুধের দাম কমানো হয়েছে। এদিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ জানান, সরকারের লক্ষ্য ভারতকে একটি বায়ো-ফার্মা উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করা। এই জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। তিনি জানান, ভারতকে গোটা পৃথিবীর কাছে ‘মেডিক্যাল ভ্যালু ট্যুরিজ়ম হাব’ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছে সরকার।
বাজেট পেশের পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে খোদ নরেন্দ্র মোদি এই বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেও, বিরোধীরা এই বাজেটকে কটাক্ষ করেছেন। কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করে মল্লিকার্জুন খাড়গে নিজের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে (সাবেক ট্যুইটার) লিখেছেন, 'মোদি সরকারের কাছে আর নতুন কোনও পরিকল্পনাই নেই। ২০২৬ সালের বাজেট ভারতের অর্থনীতি, সামাজিক আর রাজনৈতিক সমস্য়াগুলির কোনও সমাধানই দিতে পারল না। 'মিশন মোড' এখন 'চ্যালেঞ্জ রুট' হয়ে গিয়েছে। 'রিফর্ম এক্সপ্রেস' খুব কমই কোনও 'রিফর্ম' জংশনে থামে। ফলস্বরূপ, কোনও দূরদর্শী নিয়ম নেই, কোনও রাজনৈতিক সদিচ্ছা নেই।'
অন্যদিকে, ফিন্যান্স কমিশন নিয়ে অধীর বলেছেন, 'ফিন্যান্স কমিশন কোনও ব্যক্তির নয়, সরকারের নয়। ফিন্যান্স কমিশন একটা প্রতিষ্ঠান। আমাদের দেশে, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় কেন্দ্রের একটা রোজগার রয়েছে, রাজ্যের আলাদা রোজগার রয়েছে। আবার কেন্দ্র রাজ্য মিলিয়ে ও রোজগার রয়েছে। যেমন জিএসটি, এটা আরও বিস্তারিত। এই যে বিকেন্দ্রিকরণ হবে, ফান্ডে ভাগাভাগি হবে.. কেন্দ্রীয় সরকারের যে রোজগার,যে রাজস্ব.. তার কতটা পরিমাণ রাজ্যগুলিকে দেওয়া উচিত, ফিন্যান্স কমিশন তার মাপকাঠি ঠিক করে দেয়। সেটা গিয়েছে ৪১ শতাংশ। এটা দয়া নয়,রাজ্যগুলির পাওনার বিষয়। এটা ফিন্যান্স কমিশনের পুরনো অনুমোদন ছিল, অনেক দেরিতে এটা বলবৎ করা হচ্ছে।'
























