বড় খবর, ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী
Central Minister Resigns : শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জারি করা প্রেস বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।

নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরগরম রাজধানী দিল্লি-সহ গোটা দেশ। এই দাবি থেকে একচুল সরবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন নিট প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে আন্দোলনরত ছাত্র-যুবরা। এই আবহে এবার বড় খবর সামনে এল। ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু। তাঁর ইস্তফা গ্রহণও করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জারি করা প্রেস বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।
President Droupadi Murmu, as advised by the Prime Minister, has accepted the resignation of Ravneet Singh from the Union Council of Ministers, with immediate effect
— ANI (@ANI) July 24, 2026
(File pic of Ravneet Singh) pic.twitter.com/YuqroBzOi9
কিন্তু, কী কারণে এই পদত্যাগ ? তা নিয়ে সরকারি কোনও বিবৃতি সামনে না এলেও, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে সামনে আসছে একাধিক তথ্য। রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে গত জুন মাসেই মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাঁর। এনডিটিভি-র খবর অনুযায়ী, আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে চলা পাঞ্জান বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বিট্টু। আম আদমি পার্টির (আপ) দখলে থাকা এই সীমান্তবর্তী রাজ্যে আগামী বছর বিজেপির প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি প্রস্তুতির কাজে তিনি নিবিড়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
I express my heartfelt gratitude to Hon’ble President Smt. Droupadi Murmu Ji and Hon’ble Prime Minister Shri @narendramodi Ji for giving me the opportunity to serve the nation as Minister of State in the Government of India.
— Ravneet Singh Bittu (@RavneetBittu) July 24, 2026
It has been an honour to serve the people of India,…
পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিয়ন্ত সিং-এর নাতি বিট্টু ২০২৪ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপালের ছেড়ে দেওয়া আসনের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য তাঁকে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হয়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে বিট্টু দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘সতলুজ’ ছবিটির প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছিলেন এবং এটিকে ‘আগুন জ্বালানোর চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছিলেন-এমন এক সময়ে, যখন রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে অনেক শিখ নেতাই এই স্পর্শকাতর চলচ্চিত্রটি নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে পাঞ্জাবে বিজেপির জন্য তাঁর গৃহীত কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ ভোটারদের চারটি অংশের ওপর মনোযোগ দেওয়া : হিন্দু, শিখ, দলিত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)।
প্রসঙ্গত, ভোটারদের মধ্যে শিখরাই বৃহত্তম অংশ- মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৮ শতাংশ—এবং এর পরেই রয়েছে হিন্দুরা, যাদের হার ৩৯ শতাংশ। রাজ্যে এক কোটিরও বেশি মানুষ হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যার ফলে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায়।
পাঞ্জাবের ভোটারদের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অংশটি হল দলিত সম্প্রদায়, যাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২ শতাংশ। এরপরই রয়েছে ওবিসি (OBC) গোষ্ঠী, যাদের হার আনুমানিক ১৬ শতাংশ।























