Nurse Death Mystery: মার্চেই বিয়ে হয়েছিল, ডেথ সার্টিফিকেট লিখছিলেন রাতে, তার পরই দেহ উদ্ধার শৌচাগার থেকে, NRS-এ রহস্যমৃত্যু নার্সের
NRS Nurse Death: অতি সম্প্রতিই বিয়ে হয়েছিল ওই নার্সের। শৌচাগারে মৃতদেহের পাশে সিরিঞ্জ পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

কলকাতা: কলকাতার NRS হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যু। হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হল নিথর দেহ। HDU-তে ডিউটি চলাকালীন নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন ওই নার্স। পরে শৌচাগার ভেঙে দেহ উদ্ধার করা হয় বুধবার রাতে। কর্মরত অবস্থায় নার্সের রহস্যমৃত্যুতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ওই নার্সের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, অতি সম্প্রতিই বিয়ে হয়েছিল ওই নার্সের। শৌচাগারে মৃতদেহের পাশে সিরিঞ্জ পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। (NRS Nurse Death)
নার্সের রহস্যমৃত্যুর খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে পৌঁছন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। ওই নার্সের সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। হাসপাতালের এক নার্সকে বলতে শোনা যায়, "কেউ এলে ফোন করতে বলে যায়। সহকর্মীকে বলে, 'আমি আসছি। একসঙ্গে করব'। এই মার্চেই বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ি দিল্লিতে। স্বামীর সঙ্গে ভাড়া থাকত ক্যান্টনমেন্টে। স্বামী কিছু একটা ব্যবসা করে। আসল বাড়ি হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরে। ওর দাদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল। সেভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।" ( Nurse Death Mystery)
আরও পড়ুন: NRS-এর নার্সের মৃত্যু, শৌচাগার থেকে দেহ উদ্ধার, দরজা ভেঙে উদ্ধার
ওই নার্স আরও বলেন, "রাত ৯টা ১০-১৫র দিকে বাথরুমে যায়। নাইট সিস্টাররা রাউন্ডে গিয়ে সেনসাস নেয়। গিয়ে ওকে পায়নি। ফোন নম্বর দিয়ে গিয়েছিল। সহকর্মীকে 'আসছি' বলে যায়। কোনও দিন হস্টেলে ছিল না।" ওই নার্সের বয়স ৩০ বছর বলে জানা গিয়েছে। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন, না অন্য কিছু ঘটেছে, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
হাসপাতালের কর্মীরা জানিয়েছেন, গতকাল রাতে স্বাভাবিক অবস্থাতেই স্ত্রীরোগ বিভাগের ওয়ার্ডে ডিউটি করছিলেন ওই নার্স। রাত ৯টা বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ একটি ডেথ সার্টিফিকেট লিখছিলেন তিনি। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষণ পরেও অসম্পূর্ণ ছিল ডেথ সার্টিফিকেটটি। তাতেই খোঁজ পড়ে ওই নার্সের। ওয়ার্ডের সহকর্মীরা খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাঁকে। অন্য একজন ডেথ সার্টিফিকেট লেখার কাজটি করে দেন সেই সময়।
এর পর শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। দেখা যায়, স্ত্রীরোগ বিভাগের পাশের একটি শৌচাগার বন্ধ। ওই শৌচাগারের দরজা ভেঙে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন সকাল ৬টা নাগাদ সেন্টিনারি বিল্ডিং থেকে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় মর্গে। আজ বিকেলে ময়নাতদন্ত হবে ওই নার্সের। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। বরং মৃতদেহের পাশে কিছু সিরিঞ্জ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি সদ্য ব্যবহৃত না পুরনো, তা দেখা হচ্ছে। পুলিশের পদস্থ কর্তারাও পৌঁছন হাসপাতালে। পুলিশের তরফে নার্সের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে।






















