US-Iran Ceasefire: বড় প্রাপ্তি ইরানের! বাজেয়াপ্ত করে রাখা সম্পদ ফিরিয়ে দিতে রাজি হলেন ট্রাম্প?
US-Iran Peace Talks: ইরানের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রেখেছিল আমেরিকা। ফিরিয়ে দিতে রাজি হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? রয়টার্সের দাবি।

নয়াদিল্লি: পাকিস্তানে ‘শান্তি বৈঠক’ চলছে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে। সেই আবহেই বড় খবর সামনে এল। সংযুক্ত আরব কাতারে এতদিন ধরে ইরানের আটকে রাখা সম্পদ ছেড়ে দিতে রাজি হল আমেরিকা। কাতার এবং অন্য ব্যাঙ্কে ইরানের যত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাখা হয়েছিল, তা ছেড়ে দিতে আমেরিকা সম্মত হয়েছে বলে খবর। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে তেহরান। (US Iran Peace Talks)
আমেরিকার তরফে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংবাদ ইরানের একটি সূত্রকে সংস্থা রয়টার্স এই খবর সামনে এনেছে। কাতার এবং বিভিন্ন দেশের ব্যাঙ্কে ইরানের যত সম্পদ আটকে রাখা হয়েছিল, তা ছেড়ে দিতে আমেরিকা রাজি হয়েছে বলে খবর। আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত তাদের ‘সিরিয়াসনেসে’র পরিচায়ক বলে মনে করছে তেহরান। এতে শান্তিচুক্তির পথও প্রশস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। (US Iran Ceasefire)
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় বলেই নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তবে হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ করার ক্ষেত্রে সম্পদ ফিরে পাওয়া ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওই ব্যক্তি। ঠিক কত পরিমাণ সম্পদ ইরানকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়েছে আমেরিকা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে কাতারে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ ইরানের হাতে তুলে দিতে আমেরিকা রাজি হয়েছে বলে খবর।
২০১৮ সালে কাতারে ইরানের ওই ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্য়ের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে আমেরিকা। ২০২৩ সালেই ওই সম্পদ ইরানের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইরানের সহযোগী বলে পরিচিত হামাস ইজ়রায়েলে রকেট ছোড়ে, যার দরুণ জো বাইডেন সরকার ওই সম্পদ ইরানের হাতে তুলে দেওয়া থেকে পিছু হটে। সেই সময় আমেরিকা জানায়, অদূর ভবিষ্যতে আর ওই টাকার নাগাল পাবে না ইরান। তাদের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিয়েছে আমেরিকা। ৬ বিলিয়ন ডলার ভারতীয় মুদ্রায় ৫৬ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা।
কিন্তু কোথা থেকে এল ওই টাকা? জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়াকে বিক্রি করা তেলের টাকা সেটি। দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাঙ্কেই ছিল প্রথমে। ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে নিষেধাজ্ঞা চাপায়। পরমাণু চুক্তিও বাতিল করেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বন্দি হাতবদলের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাঙ্ক থেকে কাতারের ব্যাঙ্কে হস্তান্তরিত করা হয় ওই টাকা। মানবিক খাতে ওই টাকা ইরান খরচ করতে পারবে বলে জানানো হয়।























