Donald Trump: 'ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাই না', স্বর বদলালেন ট্রাম্প ; নেপথ্যে কী ?
Iran-Israel Ceasefire: শেষপর্যন্ত কি যুদ্ধবিরতিতে সমর্থ হচ্ছে গত ১২ দিন ধরে একে অপরের ওপর রক্তক্ষয়ী হামলা চালানো ইরান ও ইজরায়েল?

নয়াদিল্লি : এতদিন ধরে একের পর এক হুঁশিয়ার শোনা গেছে তাঁর গলায়। কখনো আবার সময় বেঁধে দিয়েছেন। ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে গেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের বর্তমান শাসন পরিবর্তনের আওয়াজ তুলেছেন। সেখানেই থেমে থাকেননি, ইজরায়েলের হয়ে যুদ্ধেও নেমে পড়েছে আমেরিকা। মাঝরাতে ইরানের তিনটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের। তাতেও অবশ্য থামেনি দুই দেশ। এবার নিজের অবস্থান থেকে সরে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানে তিনি শাসন পরিবর্তন চান না বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নেদারল্যান্ডে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি কি বিশ্বাস করেন যে ইরানের নেতৃত্ব বদলের প্রয়োজন হতে পারে? উত্তরে ট্রাম্প বলেন, "না। যদি ছিল, ছিল, কিন্তু না, আমি এটা চাই না। আমি চাই, সব কিছু যত দ্রুত সম্ভব শান্ত হয়ে যাক। শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশৃঙ্খলা হয় এবং আদর্শভাবে আমরা এত বিশৃঙ্খলা দেখতে চাই না।" কয়েকদিন আগে অবশ্য ভিন্ন স্বর ছিল ট্রাম্পের। ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলিতে মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ বিমান হামলার পর ইরান সরকারের উৎখাতকে সমর্থন করেছিলেন তিনি। রবিবারই Truth Social-এ তিনি পোস্ট করেন, "শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন' শব্দটি ব্যবহার করা রাজনৈতিকভাবে সঠিক নয়, কিন্তু বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থা যদি ইরানকে আবার মহান করে তুলতে অক্ষম হয়, তাহলে কেন শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হবে না?"
সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে প্রথমবার ইরান-ইজরায়েলের সংঘর্ষ বিরতির কথা ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও, প্রথমে ইরান ইজরায়েলে মিসাইল নিক্ষেপ করে এবং পরে ইরানেও ইজরায়েলি হামলার অভিযোগ ওঠে ! পরপর বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে তেহরান। ইতিমধ্যেই ইরানে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে তাঁরা সম্মান জানাতে প্রস্তুত। যদি ইজরায়েল যুদ্ধবিরতি মেনে চলে, তাহলে ইরানও তা মেনে চলবে। এদিকে ইজরায়েলের তরফেও একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে পারস্পরিক সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হচ্ছে তারা।
শেষ অবধি কি যুদ্ধবিরতি হতে চলেছে ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে ? প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে, কারণ মুখে যুদ্ধ বিরতির কথা বললেও, মঙ্গলবার দু'দেশের তরফ থেকেই পরস্পরের বিরুদ্ধে মিসাইল ছোড়ার অভিযোগ তোলা হয়।






















