TMC Manifesto : "বেকার ভাতা হিসেবে নয়..." কেন দেওয়া হচ্ছে যুব-সাথীর টাকা ? কতদিন দেওয়া হবে ? কী জানালেন মমতা
West Bengal Election: ইস্তাহার ঘোষণার মাঝে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুব সাথী নিয়ে বড় মন্তব্য মমতার। কতদিন এই যুব সাথী প্রকল্পের টাকা দেওয়া হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

কলকাতা: ভোটের দামামা বাজতেই জোর কদমে শুরু হয়ে গেছে ভোটের প্রস্তুতি। প্রকাশিত হচ্ছে প্রার্থী তালিকা। শুরু হয়েছে ভোট প্রচার। আর এর মাঝেই প্রকাশিত হয়ে গেল তৃণমূলের ইস্তাহার। প্রত্যেকের বাড়িতে জল, পাকা বাড়ি, বিধবা ভাতা এই সমস্ত ঘোষণার মাঝে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুব সাথী নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন তিনি। কতদিন এই যুব সাথী প্রকল্পের টাকা দেওয়া হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট জানিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবার ইস্তাহার প্রকাশ করার সময়, বেকার ভাতা কেন দেওয়া হচ্ছে? কতদিন দেওয়া হবে? এই বিষয়ে সমস্তকিছু স্পষ্ট করে জানানলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, '' আমাদের অঙ্গীকারের মধ্যে আমরা সবার জন্য যুব সাথী নিয়ে ভেবেছি। প্রায় এক কোটি যুবকদের, অর্থাৎ যাদের বয়স ২১ থেকে ৪০ এর মধ্যে, তাদের ১৫০০ করে দিচ্ছি। তবে এই টাকাটা বেকার ভাতা হিসেবে নয়, এই টাকাটা হাত খরচের জন্য দেব আমরা, যতদিন না সে চাকরি পাচ্ছে। তার মধ্যেই সে কর্মসংস্থান পেয়ে যাবে।''
তিনি আরও জানান, ''ইতিমধ্যে আমরা দুই কোটি ছেলে মেয়েদের চাকরি দিয়েছি। কিন্তু মোদি সরকার বলেছিল প্রতিবছর দুই কোটি চাকরি দেবে। কিন্তু জাতীয় গড় অনুযায়ী ভারতে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব বেড়েছে। আর বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে। পাশাপাশি বাংলার ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মানুষকে আমরা দারিদ্র সীমার উপরে নিয়ে এসেছি।''
স্কলারশিপ পেলে যবসাথী বন্ধ ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ''যারা স্কলারশিপ পায় পাক, কোনও অসুবিধা নেই। স্কলারশিপের টাকার সাথে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ আমাদের অনেক স্কলারশিপ সহ ১০০ টার বেশি সামাজিক প্রকল্প আছে, সেটা পাবেই। তবে যুব সাথীর টাকা পাবে সকলে।''
যুব সাথীর পাশাপাশি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও বড় আপডেট দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, যারা এই প্রকল্পে টাকা পাচ্ছেন তাঁরা সারাজীবন এই টাকা পাবেন। তিনি বলেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমরা বৃদ্ধি করেছি। এবং বলে দিয়েছি, সারাজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবে। এখন সাধারণ মহিলারা পাচ্ছেন দেড় হাজার। মানে, বছরে ১৮ হাজার টাকা। আর তফসিলি জাতি এবং আদিবাসীদের জন্য ১৭০০ টাকা অর্থাৎ বার্ষিক ২০ হাজার ৪০০ টাকা।" তিনি এই বিষয়ে নাম না করে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে বলেন, "যদি কেউ বলে আমরা করব, তারা ভোটের সময় বলবে, কিন্তু পরে করবে না। কিন্তু, আমরা করে দেখিয়েছি।"
























