Jyoti Malhotra: ইউটিউবার জ্যোতির নিরাপত্তায় AK47 হাতে রক্ষী পাকিস্তানের ! নতুন ভিডিয়ো খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা
YouTuber Jyoti Malhotra: ইউটিউবের এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাহোরের আনারকলি বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জ্যোতি। আর তাঁকে নিরাপত্তা দিতে হাতে অত্যাধুনিক রাইফেল AK47 নিয়ে হাজির বেশ কয়েকজন রক্ষী।

Jyoti Malhotra: ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা (YouTuber Jyoti Malhotra) - রাতারাতি এই ইউটিউবার, ভ্লগারের নাম ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। হরিয়ানার তরুণীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Espionage) অভিযোগ উঠেছে জ্যোতির বিরুদ্ধে। তদন্তে যে সমস্ত বিস্ফোরক তথ্যপ্রমাণ উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতে ইতিমধ্যে জ্যোতিকে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)- এর 'অ্যাসেট'-ও বলছেন তদন্তকারীদের একাংশ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাধারণত কোনও গুপ্তচর সংস্থা যখন কাউকে দিয়ে অন্য দেশে গুপ্তচরবৃত্তি করায়, তাঁদেরকে ওই সংস্থার তরফে 'অ্যাসেট' বলেই অভিহিত করা হয়। ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে (জুডিশিয়াল কাস্টডি) পাঠানো হয়েছে জ্যোতিকে। আর সেই সঙ্গেই প্রকাশ্যে এসেছে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য।
ইউটিউবের এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাহোরের আনারকলি বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জ্যোতি। আর তাঁকে নিরাপত্তা দিতে হাতে অত্যাধুনিক রাইফেল AK47 নিয়ে হাজির বেশ কয়েকজন রক্ষী। একজন ইউটিউবার, ভ্লগারের জন্য এত উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্ত? স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে অনেক। এক স্কটিশ ইউটিউবারের করা ভিডিওতে ধরা পড়েছে এই দৃশ্য। একজন ইউটিউবারের জন্য নিরাপত্তায় কেন এত কড়াকড়ি? বিস্মিত খোদ জ্যোতির ভিডিও করা স্কটিশ ইউটিউবারও। একজন ভারতীয় ইউটিউবার পাকিস্তানের রাস্তায় হাঁটছেন। ভিডিও শ্যুট করছেন। আর তাঁকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রেখেছে সশস্ত্র বাহিনী। অতএব পাকিস্তানের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ যে ছিল স্পষ্ট। আর উর্দিধারী নয়, বরং সিভিল ড্রেসে থাকা এই বন্দুকধারী রক্ষীদের ঘেরাটোপে জ্যোতির থাকা এও বুঝিয়ে দিচ্ছে যে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই- এর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা কতটা, এই ভিডিওই তার প্রমাণ দিচ্ছে।
ভিডিওতে স্কটিশ ইউটিউবার একবার জ্যোতিকে জিজ্ঞাসা করেছেন পাকিস্তানের আতিথেয়তা প্রসঙ্গে। স্পষ্ট ভাষায় জ্যোতি জানিয়েছেন পাকিস্তানের আতিথেয়তা দারুণ। তাঁর মুখভঙ্গিই বুঝিয়ে দিয়েছে যে তিনি কতটা খুশি পাকিস্তানের আতিথেয়তায়। আপাতত জ্যোতির মোবাইল এবং ল্যাপটপ, আর সেখানে পাওয়া ছবি, ভিডিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। পাকিস্তানের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ কতটা দৃঢ়, কী কী তথ্য তাঁর মাধ্যমে পাচার হয়ে গিয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। আর কে কে এই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের খোঁজও চলছে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, জ্যোতির পুলিশি হেফাজত শেষ হওয়ার পর তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। হিসারের এক আদালত ১৪ দিনের জন্য জ্যোতিকে বিচার বিভাগীর হেফাজতে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর আগে ৯ দিনের জন্য এই ইউটিউবার-ভ্লগারকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ।






















