Rajasthan News: ৫৫ বছর বয়সে ১৭তম সন্তানের জন্ম! এদিকে খাবার জোটেনা, লক্ষ লক্ষ টাকার ঋণ!
Rajasthan Woman Birth: মেয়ে শীলা কালবেলিয়া জানালেন পরিবারের সংগ্রামের কথা। তিনি বলেন, “আমাদের ভীষণ কষ্টে বড় হতে হয়েছে। মা’য়ের এত সন্তান আছে শুনে সবাই হতবাক হয়ে যাই।”

নয়া দিল্লি: রাজস্থানের উদয়পুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ৫৫ বছর বয়সে ১৭তম সন্তানের জন্ম দিলেন এক মহিলা। নেই বাড়ি। একেবারেই গৃহহীন তাঁরা। মাথার উপর টাঙানো থাকে ত্রিপল। খাবার জোটে না দুই বেলা।
খুদে সন্তান, নাতি, নাতনিদের নিয়েই রেখা দেখতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছন তাঁর স্বামী। এমনকী রেখার এক মেয়েও তাঁর সন্তানকে কোলে নিয়ে দেখতে যান সবচেয়ে ছোট ভাইকে। হাসপাতালে সবাইকে দেখে হতবাক হয়ে যান চিকিৎসক ও নার্সরা। এর আগেও রেখা গালবেলিয়া ১৬টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে তাঁদের মধ্যে চার ছেলে ও এক মেয়ে জন্মের পরপরই মারা যায়। বর্তমানে যাঁরা বেঁচে আছেন, তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের বিয়ে হয়ে গেছে এবং তাঁদের সন্তানও রয়েছে।
মেয়ে শীলা কালবেলিয়া জানালেন পরিবারের সংগ্রামের কথা। তিনি বলেন, “আমাদের ভীষণ কষ্টে বড় হতে হয়েছে। মা’য়ের এত সন্তান আছে শুনে সবাই হতবাক হয়ে যাই।”
এখনও পর্যন্ত দুই ছেলে ও তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। বিবাহিত সন্তানদের আবার দুই থেকে তিনটি করে সন্তান রয়েছে। কনিষ্ঠতম সন্তানের জন্মের অনেক আগেই দিদিমা হয়ে গিয়েছিলেন রেখা। ভরা সংসারে এখন সন্তান, নাতি, নাতনিদের নিয়ে সময় কাটে তাঁদের।
উল্লেখ্য রেখার সন্তান ধারণের বিতর্ক নিয়ে স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ রোশন দারঙ্গি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি জানান, “রেখাকে ভর্তির সময় পরিবার তাঁর চিকিৎসার ইতিহাস সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছিল। যখন রেখাকে ভর্তি করা হয়, তখন পরিবার হাসপাতালকে জানায় এটি তাঁর চতুর্থ সন্তান। কিন্তু পরে জানা যায়, এটি তাঁর ১৭তম সন্তান।” স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় চমকে গিয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীরা।
রিপোর্ট অনুযায়ী, কার্যত কাগজ ও ভাঙা জিনিস কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে উদয়পুরের এই পরিবার। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে এর আগে রেখা নাম্নী ১৬টি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। তার মধ্যে চার ছেলে ও এক মেয়ে জন্মের পরপরই মারা গিয়েছিল। অন্যদিকে রেখার জীবিত সন্তানদের মধ্যে পাঁচজন বিবাহিত এবং তাঁদেরও আবার কারও কারও সন্তান হয়েছে। আর এই আবহে রেখা ফের জন্ম দিলেন আরেক সন্তানের। খুবই করুণ অবস্থা পরিবারের।
এদিকে কাভরা জানাচ্ছেন, ”প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনায় একটি বাড়ি আমরা পেয়েছিলাম। কিন্তু তবুও গৃহহীনই থাকতে হয়েছে, কারণ যে জমির জন্য বাড়িটা পাওয়া গিয়েছে সেই জমিটা আমাদের নামে ছিল না। খাবার, শিক্ষা এবং পরিবারের সদস্যদের বিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাও আমার নেই।”





















