Rajasthan News: হাড়হিম কাণ্ড ! নিজের শাড়ি-গয়নায় ছেলেকে সাজিয়েই চরম সিদ্ধান্ত মায়ের ! স্বামী ও ২ শিশুকে নিয়ে... শুনে গা শিউরে উঠবে
Rajasthan Shocker: জানা গিয়েছে সেই পরিবারের কর্তা শিবলাল মেঘওয়াল (বয়স ৩৫), তাঁর স্ত্রী কবিতা (বয়স ৩২), আর তাদের দুই শিশু বজরঙ্গ (৮) এবং রামদেব (৯)।

বাড়মেড়, রাজস্থান: এক পরিবারের চার সদস্যই একসঙ্গে চরম পরিণতির দিকে ঠেলে দেন নিজেদের। চারজনেই এখন মৃত। নিজের ছোট ছেলে রামদেবকে নিজের শাড়ি, গয়নায় সাজিয়ে মাথায় ওড়না ঘোমটার মত দিয়ে চোখে কাজলও পরিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর মা কবিতা। আর তারপরেই স্বামী ও আরেক সন্তানকে নিয়ে জলের ট্যাঙ্কে ঝাঁপ (Family Suicide) দেন কবিতা। তাদের সকলের প্রাণহীন নিথর দেহ পাওয়া (Rajasthan News) গিয়েছে সেই জলের ট্যাঙ্কে। রাজস্থানের বাড়মেড়ে ঘটেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা।
জানা গিয়েছে সেই পরিবারের কর্তা শিবলাল মেঘওয়াল (বয়স ৩৫), তাঁর স্ত্রী কবিতা (বয়স ৩২), আর তাদের দুই শিশু বজরঙ্গ (৮) এবং রামদেব (৯)। তাদের বাড়ি থেকে ২০ মিটার দূরে অবস্থিত একটি জলের ট্যাঙ্কে তাদের সকলের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। কেন এই আত্মহত্যা ? সেই কারণ জানিয়ে একট সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে তাদের ঘর থেকে। নাবালক ছেলেদের কেন মৃত্যুর মুখে পড়তে হল ? সেই কারণ অনুসন্ধান করছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনাটি ঘটেছে আর তারপর বুধবার সকালে তাদের আত্মীয়স্বজন এবং দম্পতির শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে তাদের মৃতদেহ আবিষ্কার করে। তারাই সেই মৃতদেহগুলি ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করে। ঘর থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি সুইসাইড নোটও।
এই সুইসাইড নোটে ২৯ জুন তারিখে শিবলাল মেঘওয়াল নামে সেই পরিবারের কর্তা স্পষ্ট লিখেছেন যে তাদের পরিবারে জমিজমার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। ঘটনার দিন শিবলালের মা গিয়েছিলেন তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এবং তাঁর বাবা গিয়েছিলেন একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আর সেই সময়েই ফোন বন্ধ করে স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে আত্মঘাতী হন শিবলাল।
সুইসাইড নোট থেকেই জানা গিয়েছে শিবলাল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে পাওয়া টাকা দিয়ে একটি আলাদা বাড়ি করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এতেই বাঁধা দেন তাঁর মা ও ছোট ভাই। এই ঘটনা থেকেই বিবাদের সূত্রপাত। বাড়মেড়ের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ মানারাম গর্গ জানিয়েছেন যে শিবলালের ছোটভাই ফোনে তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ না করতে পেরে তাদের এক প্রতিবেশিকে খোঁজ নিতে পাঠান যে আদপে তাদের কী হয়েছে জানার জন্য।
পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে যে কবিতার কাকা দাবি করেছেন শিবলালের আলাদা ঘর বানানো নিয়েই পরিবারের মধ্যে বহুদিন ধরেই অশান্তি শুরু হয়। আর প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হয়ে অবশেষে এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।






















