বিশেষজ্ঞরা দিনে অনন্ত ৩ থেকে চার লিটার জল খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। ত্বকে পুষ্টির পাশাপাশি আর্দ্রতা বজায় রেখে ব্রণর সমস্যা কমায়।।
2/10
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড আছে। মুখে মেছতা থাকলে পাকা পেঁপে পেস্ট করে লাগালে ভাল ফল পাওয়া যায়। পেঁপে উৎসেচক পিগমেন্টেশন দূর করে ত্বককে সতেজ ও সজীব রাখে।
3/10
দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের উপরের স্তরে জমে থাকা মৃত কোষ পরিষ্কার করে ত্বক মোলায়েম করে। এতে ব্রণর সমস্যা কমে।
4/10
ত্বকের উপরে জমে যাওয়া মৃত কোষ তুলতে অলিভওয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। অলিভ ত্বকের তেলের সামঞ্জস্য বজায়ে সাহায্য করে।
5/10
তরমুজের অ্যামিনো অ্যাসিড ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, বি এবং সি। এই উপাদানগুলো ত্বকের শুষ্কতার পাশাপাশি বলিরেখা দূর করতে কার্যকরী।
6/10
ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারযুক্ত হওয়ায় রাসবেরি ত্বকের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়াও রাসবেরি ফাইটোকেমিকায় সমৃদ্ধ, যা ত্বকে সমস্যা মেটায়।
7/10
ত্বকের ক্লান্তি দূর করতে আপেলের জুড়ি মেলা ভার। আপেলে রয়েছে ট্যানিক অ্যাসিড যা ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করে এবং ব্রণর সমস্যা কমায়।
8/10
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে আখরোট। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে, যা ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করেগী। ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে প্রতিদিন অন্তত ২-৩টি করে আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
9/10
লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যা শরীর নিজে থেকে তৈরি করতে পারে না। ভিটামিন সি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষ ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল ও সুস্থ রাখে।
10/10
কাঁচা দুধ বা ফোটানো দুধ, সবই ত্বকচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন। দুধ ত্বককে মোলায়েম করে, বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে এবং পাশাপাশি ট্যান কমাতেও সাহায্য করে। শুষ্ক ত্বকের জন্য দুধ উপকারী। দুধে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড যা ভাল ঘুমে সাহায্য করে। এ ছাড়াও ঠান্ডা দুধ একটি দুর্দান্ত ক্লিনজার যা ত্বক পরিষ্কার এবং টোন করার সময় প্রয়োজনীয় প্রোটিন সরবরাহ করে। (ছবি: পিক্সাবে)