২০০৯ সালে প্রথমবার বিজেপি-র হয়ে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। বিকানির থেকে জিতে সাংসদ হন তিনি। ২০১৪ সালে একই কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার সাংসদ হন তিনি। মন্ত্রী হওয়ার আগে লোকসভায় বিজেপি-র চিফ হুইপ হন মেঘবল।
2/9
পরে আইএএস হয়ে রাজস্থানের চুরু জেলার জেলাশাসক হয়ে যান মেঘবল।
3/9
টেলিফোন অপারেটরের চাকরির পাশাপাশি আরও পরীক্ষা দিতে থাকেন তিনি। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় রাজস্থান স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের পরীক্ষায় পাশ করে যান।
4/9
পড়াশোনা শেষ করার পরে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে থাকেন মেঘবল। ডাক ও তার বিভাগে টেলিফোন অপারেটরের চাকরি পান তিনি। এই চাকরি করতে করতেই তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়। জীবনের প্রথম নির্বাচন ছিল টেলিফোন ট্র্যাফিক অ্যাসোসিয়েশনের সচিবের পদের জন্য। সেই নির্বাচনে জেতেন মেঘবল।
5/9
বিকানিরে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর জামাই রবার্ট বঢরার সঙ্গে যুক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে সরব হন মেঘবল। এরপরেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর নজরে পড়ে যান। তাঁর সারা জীবনের লড়াইকে স্বীকৃতি জানিয়েছেন মোদি।
6/9
রাজস্থানের বিকানিরের কিসমিদেসার গ্রামে জন্ম মেঘবলের। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই বিয়ে হয়ে যায় তাঁর। তবে এরপরেও বাবাকে বয়নের কাজে সাহায্য করার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। বিকানিরের শ্রী দুঙ্গার কলেজ থেকে বিএ পাশ করার পরে সেখান থেকেই এলএলবি ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
7/9
এই দলিত সাংসদ সাইকেল চালিয়ে সংসদ ভবনে আসেন। মঙ্গলবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার সময়েও তাঁর সঙ্গী ছিল সাইকেল।
8/9
জন্ম হয়েছিল এক দলিত বয়নশিল্পী পরিবারে। নিজের চেষ্টায় আইএএস হন। তারপর সাংসদ হয়ে এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হয়েছেন অর্জুন মেঘবল। তাঁর জীবনের এই যাত্রা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
9/9
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দলিত সাংসদকে মন্ত্রী করার কথা ঘোষণা করেছেন।