Chandra Grahan 2026: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে রক্তবর্ণ ধারণ করবে চাঁদ, দোলের রাতে আকাশেও রংয়ের খেলা
Total Lunar Eclipse: পৃথিবী যখন সূর্য এবং চাঁদের মাঝে অবস্থান করে, সেই সময় পৃথিবীর ছায়া গিয়ে পড়ে চন্দ্রপৃষ্ঠের উপর।

নয়াদিল্লি: নতুন বছরের শুরুতেই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। আগামী ৩ মার্চ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। অর্থাৎ পৃথিবীর ছায়ায় পুরোপুরি ঢেকে যাবে উপগ্রহ চাঁদ। দোলের উৎসবে এবার রাতে এমনই মহাজাগতিক মুহূর্তের সাক্ষী হবে গোটা বিশ্ব। (Total Lunar Eclipse)
পৃথিবী যখন সূর্য এবং চাঁদের মাঝে অবস্থান করে, সেই সময় পৃথিবীর ছায়া গিয়ে পড়ে চন্দ্রপৃষ্ঠের উপর। আংশিক এবং পূর্ণগ্রাস গ্রহণ, দু’ক্ষেতেই এমনটা ঘটে। তবে মানুষের চোখে তা ধরা পড়ে একেবারে ভিন্ন রূপে, ভিন্ন আঙ্গিকে। এবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণই হতে চলেছে। আগামী ৩ মার্চ দুপুর ৩টে বেজে ২০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। চলবে সন্ধে ৬টা বেজে ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। সবচেয়ে ভাল ভাবে গ্রহণ দেখা যাবে সন্ধে ৬টা বেজে ২৬ মিনিটে। (Lunar Eclipse Facts)
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের একেবারের অন্দরের অংশও যখন পৃথিবীর ছায়া গিয়ে পড়ে। ২ মার্চ ঠিক এমনটিই ঘটতে চলেছে। রাতের আকাশে চন্দ্রোদয় ঘটবে। কিন্তু পৃথিবীর ছায়ায় আবৃত থাকবে চাঁদ। এই সময় চাঁদ পুরোপুরি গায়েব হয়ে যাবে না। বরং তামাটে বা রক্তবর্ণ ধারণ করবে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ তাই Blood Moon বা রক্তবর্ণ চাঁদ হিসেবেও পরিচিত।
What’s a blood Moon? How does the science behind an #eclipse work? Right now, a #LunarEclipse is underway in the sky over much of Earth’s population except North & Central America. Get the answers to these & other questions about this celestial event: https://t.co/Uy2j0hfHRj pic.twitter.com/dEk1vN3goo
— NASA (@NASA) July 27, 2018
কিন্তু কেন রক্তবর্ণ ধারণ করে চাঁদ? এর নেপথ্যকারণ হল Rayleigh Scattering. পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী যেহেতু সূর্য এবং চাঁদের মাঝে থাকে, তাই সূর্যালোক সরাসরি চাঁদের উপর গিয়ে পড়ে না। বরং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল স্বল্পদৈর্ঘ্যের নীল ও বেগুনি আলো বিচ্ছুরিত করে। এমন পরিস্থিতিতে তুলনামূলক দীর্ঘতরঙ্গদৈর্ঘের লাল এবং কমলা আলো প্রতিসরিত হয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে পড়ে। এই কারণেই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদকে তামাটে বা রক্তিম দেখায়।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ওই সময় ধুলো এবং মেঘ কেমনথাকে, তার উপরই নির্ভর করবে কতটা রক্তবর্ণ দেখাবে চাঁদকে। পৃথিবী যেহেতু চাঁদের থেকে আকারে বড়, তাই গ্রহণ একঘণ্টারও বেশি স্থায়ী হতে পারে।
অন্য দিকে, আংশিক চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ সরলরেখায় থাকে না। চাঁদের কিছুটা অংশে পৃথিবীর ছায়া পড়ে। পৃথিবী থেকে মনে হয়, চাঁদের গায়ে যেন কেউ কামড় বসিয়েছে। চাঁদের যে অংশ ছায়ায় ঢাকা পড়ে, তা একেবারে নিকষ কালো অন্ধকারে ঢেকে যায়। বাকি অংশ উজ্জ্বল থাকে। তবে পূর্ণগ্রাস হোক বা আংশিক, দুই গ্রহণই খালি চোখে দেখা যায় পৃথিবী থেকে।
























