Joe Root: নিজেকে সেঞ্চুরি করার মেশিন বানিয়ে ফেলেছেন, সচিনের সর্বকালের রেকর্ডও কি ভেঙে ফেলবেন রুট?
AUS vs ENG: টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের নিরিখে শীর্ষে রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। ২০১৩ সালে ওয়াংখেড়েতে নিজের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে খেলতে নেমেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

সিডনি: ২০২০ সালের পর থেকে জো রুটের ব্যাট যেন অশ্বমেধের ঘোড়া হয়ে উঠেছে। টেস্টে রানের বন্যা ছুটিয়েই চলেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক। চলতি অ্যাশেজে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফেলেছিলেন সোমবার, যা ছিল রুটের টেস্ট কেরিয়ারের ৪১ তম শতরান। যে গতিতে এগিয়ে চলেছেন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার তাতে সচিন তেন্ডুলকরের সর্বকালের রেকর্ডও যে এখন ভেঙে যেতে পারে মনে হচ্ছে।
টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের নিরিখে শীর্ষে রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। ২০১৩ সালে ওয়াংখেড়েতে নিজের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে খেলতে নেমেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত তিনিই রয়েছেন তালিকায় সবার ওপরে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রুট। সিডনি টেস্টে প্রথম ইনিংসে রুটের ব্য়াট থেকে এসেছেন ১৬০ রান। যা ব্যবধান সচিনের সঙ্গে আরও কমিয়ে দিয়েছে। সেঞ্চুরির নিরিখে রিকি পন্টিংকে ছুঁয়ে ফেলেছেন রুট। সামনে শুধু জ্য়াক কালিস ও সচিন তেন্ডুলকর। এই মুহূর্তে রানের নিরিখে সচিনের থেকে ১৯৮৪ রান পেছনে রয়েছেন রুট।
টেস্ট কেরিয়ারে নিজের ৪১ তম শতরান হাঁকানোর নিরিখে অবশ্য সচিনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক। ২০০৮ সালে চেন্নাইয়ে ইংল্য়ান্ডের বিরুদ্ধেই নিজের কেরিয়ারের ৪১ তম টেস্ট শতরান করেছিলেন সচিন। ১৫৫ তম টেস্টে ২৫৪ তম ইনিংসে এই মাইলস্টোন গড়েছিলেন। রুটের যা সময় লাগল ১৬৩ টেস্ট ২৯৭ ইনিংস।
টেস্টে ১৯৮৪ রান করাটা কখনই খুব সহজ কাজ নয়। কিন্তু রুট এখন ৩৫ বছরের। যে ফর্মে তিনি রয়েছেন, তাতে এই রান করতে হয়ত খুব বেশি হলে রুটের দু বছরের একটু বেশি সময়ই লাগবে হয়ত। যদি এর মধ্য়ে নিজের ফর্ম হারিয়েও ফেলেন প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক। সেক্ষেত্রেও তাঁর হাতে সময় থাকছে। ইতিমধ্য়েই রুট আভাস দিয়ে দিয়েছেন যে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আগামী ৪ বছর পর হতে চলা অ্য়াশেজেও তিনি খেলতে পারেন। সেক্ষেত্রে ২০২৯ পর্যন্ত যদি তাঁর কেরিয়ার টেনে নিয়ে যেতে পারেন রুট, তাহলে হয়ত অনায়াসেই সচিনের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারবেন তিনি।
উল্লেখ্য, সিডনি টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক স্টোকস। শোয়েব বশিরকে ১২ জনের দলে রাখা হলেও একাদশে তাঁর সুযোগ হয়নি। উইল জ্যাকসকেই স্পিনার হিসাবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইংরেজরা। অন্য়দিকে প্যাট কামিন্স এই ম্য়াচে খেলবেন না এটা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতই স্টিভ স্মিথ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।




















