IND vs PAK: বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছেই ভারতকে হুঁশিয়ারি শাহিন আফ্রিদির
Asia Cup Final: ৪১ বছরে এই প্রথমবার মহাদেশের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে খেতাবি ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান।

দুবাই: সম্ভাবনা ছিলই, হলও তাই। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১১ রানে ম্যাচ জিতে পাকিস্তান দ্বিতীয় দল হিসাবে এশিয়া কাপ ফাইনালে (Asia Cup Final) নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে। ৪১ বছরে এই প্রথমবার মহাদেশের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে খেতাবি ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। চলতি টুর্নামেন্টে এর আগে দুই ম্যাচের দুইবারই গো হারান হেরেছে পাকিস্তান। তবে তৃতীয় সাক্ষাতের আগে হুঙ্কার পাকিস্তান দলের।
গোটা টুর্নামেন্টে বল হাতে তেমন দাগ কাটতে পারেননি শাহিন শাহ আফ্রিদি (Shaheen Shah Afridi)। বরং ব্যাটে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যাটে বলে জ্বলে উঠলেন শাহিন। বল হাতে ১৭ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাটেও ১৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন তিনি। ম্যাচ শেষে কিন্তু শাহিন মাত্র তিন শব্দে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তিনি। শাহিন বলেন, 'We are ready' অর্থাৎ তাঁরা ভারতের জন্য প্রস্তুত বলেই জানিয়ে দিলেন শাহিন।
পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘার গলাতেও কিন্তু আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়ছে। তাঁকে ম্যাচের পর বলতে শোনা যায়, 'আমরা যে কোনও দলকে হারাতে পারার ক্ষমতা রাখি। আমরা আবার রবিবার ফিরে এসে ঠিক এই কাজটাই করার চেষ্টা করব।'
টস জিতে পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জাকের আলি। ১০ ওভারের শেষে যখন পাকিস্তানের স্কোর ৪৬/৪, পাক ব্যাটাররা ক্রিজে থরহরিকম্প করছেন, দাপট দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের বোলাররা, মনে হচ্ছিল, একশো পেরবে তো পাকিস্তান? তবে এই সময়ই জ্বলে উঠলেন মহম্মদ হ্যারিস। ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৩ বলে ৩১ রানের মহার্ঘ ইনিংস খেলেন তিনি। সেটাই পাকিস্তান ইনিংসে কোনও ব্যাটারের সর্বোচ্চ স্কোর। তাঁকে সঙ্গত করলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মহম্মদ নওয়াজ। আফ্রিদের ১৯ রানের পাশাপাশি ১৫ বলে ২৫ রান করেন নওয়াজ। লোয়ার মিডল অর্ডারের লড়াইয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৩৫/৮। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সেরা তাস্কিন আমেদ। ৩ উইকেট নিলেন তিনি। ২টি করে উইকেট মেহেদি হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের।
অল্প রানের পুঁজি নিয়ে বল করতে নেমে প্রথম স্পেলেই শাহিন শাহ আফ্রিদি বুঝিয়ে দেন যে, বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বেন না। পরপর তিনি ফিরিয়ে দেন পারভেজ হোসেন ইমন (০) ও তৌহিদ হৃদয়কে (৫)। শুরুর সেই ধাক্কা আর গোটা ইনিংসে কাটিয়ে উঠতে পারল না বাংলাদেশ। নিয়মিত ব্যবাধানে উইকেট হারাতে থাকল। চেষ্টা একমাত্র করেছিলেন শামিম হোসেন। ২৫ বলে ৩০ রান করেন তিনি। শামিম ফিরতেই বাংলাদেশের স্বপ্নে যবনিকা পড়ে। শেষমেশ ১২৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাচ জিতে ফাইনালে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।




















