Suryakumar Yadav: টানা ব্যর্থ, কমেছে গড়, নামছে স্ট্রাইক রেট, নেতৃত্বের চাপ কি প্রভাব ফেলছে সূর্যর ব্যাটিংয়ে?
Asia Cup 2025: গত বছর জুলাইয়ে ভারতীয় দলের টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে নেতৃত্বভার তুলে দেওযা হয়েছিল সূর্যকুমারকে। এরপর থেকে এখনও পর্যন্ত ১৯.৩৫ গড়ে রান করেছেন।

দুবাই: এশিয়া কাপে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলকে। এমনকী টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে জাতীয় দলের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দারুণ পারফর্ম করেছেন। এই ফর্ম্যাটে এখনও পর্যন্ত তিনিই সেরা ভারত অধিনায়ক। কিন্তু ব্যাট হাতে কুড়ির ফর্ম্য়াটে প্রথম তিন বছর যে রাজত্ব তিনি করেছিলেন, তা যেন কোথাও ক্ষীণ হয়ে গিয়েছে। চলতি এশিয়া কাপে ভারত ফাইনালে উঠেছে। মাঠে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্তও নিয়েছেন সূর্য। কিন্তু ব্যাট একেবারেই চলছে না। তাহলে কি নেতৃত্বের চাপ পারফরম্য়ান্সে প্রভাব ফেলছে?
গত বছর জুলাইয়ে ভারতীয় দলের টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে নেতৃত্বভার তুলে দেওযা হয়েছিল সূর্যকুমারকে। এরপর থেকে মাত্র একটি অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩৫ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ডানহাতি তারকা ব্যাটার। কিন্তু এছাড়া আর গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য রান নেই কোনও ম্য়াচে। অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে সূর্যকুমার মোট ১৯ ইনিংসে ৩২৯ রান করেছেন। ১৯.৩৫ গড়ে ব্যাটিং করেছেন তিনি। ১৪৫ স্ট্রাইক রেট। মাত্র দুটো অর্ধশতরান এসেছে এরমধ্যে। ২০ রান বা তার বেশি মাত্র ৬ বার করতে পেরেছেন নেতৃত্বভার পাওয়ার পর থেকে।
চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ ইনিংস খেলে মাত্র ৯৯ রান করতে পেরেছেন। গড় ১৩-র কাছাকাছি। ১১০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন সূর্য। গ্রুপ পর্বের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করা অপরাজিত ৪৭ই এই বছরে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।
গত বছর নেতৃত্বভার পাওয়ার আগে সূর্যের ব্য়াটিং গড় ছিল ৪৩.৩৩। যা এখন নেমে গিয়েছে ৩৭.৫৯ এ। চলতি এশিয়া কাপে এখনও পর্যন্ত পাঁচ ইনিংসে ৭১ রান করেছেন ১০০ স্ট্রাইক রেটে।
ফের বিতর্কে হ্যারিস রউফ
এশিয়া কাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে হারানোর পর হ্যারিস রউফ স্ট্যান্ডে গিয়ে পাকিস্তানের কিছু সমর্থকের সঙ্গে করমর্দন করেন। সেখানে, একজন আবেগপ্রবণ ভক্ত হ্যারিসকে অনুরোধ করেন যে যে কোনও মূল্যে ফাইনাল ম্যাচে ভারতকে হারাতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে, প্রায় কান্নায় ভেঙে পড়া ওই ভক্তকে বলতে শোনা গেছে, "বদলা লেনা হ্যায়। ইন্ডিয়া কো ছোড়না মত।' উল্লেখ্য, সুপার ফোরের ম্য়াচে ভারতের বিরুদ্ধে ফিল্ডিং করার সময় বাউন্ডারি লাইনের ধারে দাঁড়িয়ে ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে রউফকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নরকম ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। তার মধ্য়ে ছিল আমদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে ভারতের যুদ্ধবিমান রাফাল ধ্বংসের ইঙ্গিত। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর পাকিস্তান দাবি করেছিল ভারতের ছ’টি রাফাল ভেঙেছেন তাঁরা। সেই দাবি উড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। তারা জানায়, ভারতের একটি যুদ্ধবিমানও পাকিস্তান ভাঙতে পারেনি। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের দিকে তাকিয়ে ম্যাচের আগে অনুশীলন তো বটেই, ম্যাচের সময়ও আঙুল দিয়ে ৬-০ ইঙ্গিত করেন রউফ। এইসব অঙ্গিভঙ্গি নিয়ে প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় হ্যারিস রউফকে।




















