Michael Bevan: অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের হল অফ ফেমে জায়গা পেলেন মাইকেল বেভান
Australia Cricket Hall Of Fame: হল অফ ক্রিকেটে আগে জায়গা করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই প্লেয়ারের টেস্ট ক্রিকেটের মানদণ্ডকেই প্রাধান্য দেওয়া হত। কিন্তু টেস্টে খুব একটা ভাল পারফরম্য়ান্স ছিল না বেভানের।

মেলবোর্ন: তখনও মহেন্দ্র সিংহ ধোনির অভ্য়ুত্থান হয়নি বিশ্ব ক্রিকেটে। ২২ গজে সেরা ফিনিশারের তকমাটি ছিল তাঁরই দখলে। তিনি মাইকেল বেভান। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটই শুধু নয়, বিশ্ব ক্রিকেটে অন্য়তম সেরা ম্য়াচ ফিনিশার ছিলেন। লোয়ার মিডল অর্ডারে নেমে নব্বইয়ের দশকে ও তার পরবর্তী সময়ে অস্ট্রেলিয়াকে অবিশ্বাস্য কিছু ম্য়াচ জিতিয়েছেন। এবার অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের হল অফ ফেমে অন্তর্ভূক্তি করা হল মাইকেল বেভানকে।
হল অফ ক্রিকেটে আগে জায়গা করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই প্লেয়ারের টেস্ট ক্রিকেটের মানদণ্ডকেই প্রাধান্য দেওয়া হত। কিন্তু টেস্টে খুব একটা ভাল পারফরম্য়ান্স ছিল না বাঁহাতি এই ব্যাটারের। কিন্তু ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে দুর্ধর্ষ ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে এই মানদণ্ড বদলে শুধু টেস্ট ক্রিকেটের ভিত্তিতে নয়। সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও সেরা পারফর্মারদের হল অফ ফেমে নিযুক্ত করার দাবি উঠেছিল। যাকে মান্যতা দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এরপরই মাইকেল বেভানকে এই সম্মানে সম্মানিত করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ২৩২ ওয়ানডেতে ৫৩.৫৮ গড়ে ৬৯১২ রান করেছিলেন প্রাক্তন অজি। এই বিষয়ে এমসিজিতে বেভানের হাতে হল অফ ফেমের স্মারক তুলে দেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিার হল অফ ফেমের চেয়ারম্য়ান পিটার কিং। তিনি বলেন, ''মাইকেল বেভানের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অসাধারণ রেকর্ডের কথা মাথায় রেখেছি আমরা। হল অফ ফেম কমিটি ওর পরিসংখ্য়ান নিয়ে ভাবতে বাধ্য হয়েছে। শুধু টেস্ট ক্রিকেটে আর নয়। ওযান ডে ও আগামীতে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটেও সাফল্য পাওয়া ক্রিকেটারদের কথা মাথায় রাখা হবে। কমিটি পরবর্তীতে তাঁদেরও সমানভাবে সম্মানিত করবে।''
View this post on Instagram
বরাবরই কঠিন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা মাথায় ম্য়াচ বের করতে ওস্তাদ ছিলেন বেভান। ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এই বাঁহাতি। শুধু ব্যাট নয়, দলের প্রয়োজনে বাঁহাতি অফস্পিন বলেও ভেল্কি দেখাতেন ব্যাটারদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একটি ম্য়াচে গ্লেন ম্য়াকগ্রাকে সঙ্গে নিয়ে যেভাবে ১৭৩ রান তাড়া করতে নেমে জয় এনে দিয়েছিলেন অজি শিবিরকে, তা এখনও ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে। সেই ম্যাচে একটা সময় অস্ট্রেলিয়া ৩৮ রান বোর্ডে তুলতেই ৬ উইকেট খুইয়েছিল।




















