Sachin Tendulkar: নির্বাচকরা তাঁকেও ছেঁটে ফেলার পরিকল্পনা করছিলেন, গুরুত্ব কমছে বুঝেই কি অবসর নেন সচিন?
Sachin Tendulkar Update: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট খেলেই ব্যাট তুলে রেখেছিলেন পাকাপাকিভাবে। তবে তাঁকেও নাকি সরিয়ে দেওয়ার ভাবনা চিন্তা চলছিল।

মুম্বই: বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা ব্যাটার হিসেবে মানা হয় তাঁকে। টেস্ট, ওয়ান ডে সব ফর্ম্যাটেই সর্বাধিক রানের মালিক তিনিই। ২৪ বছরের দীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি টেনেছিলেন ২০১৩ সালে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট খেলেই ব্যাট তুলে রেখেছিলেন পাকাপাকিভাবে। তবে তাঁকেও নাকি সরিয়ে দেওয়ার ভাবনা চিন্তা চলছিল। এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে। আর সেই তথ্য নিজেই তুলে ধরেছেন তৎকালীন বিসিসিআই নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্য়ান সন্দীপ পাতিল। আর এই বিষয়ে না কি সচিনের সঙ্গে নিজেই কথা বলেছিলেন সন্দীপ।
২০১২ সালে সচিনের পারফরম্য়ান্স একেবারেই ভাল ছিল না। টেস্টে ৯ ম্য়াচে খেলতে নেমে মাত্র ২৩.৮০ গড়ে ব্যাটিং করেছিলেন। একটিও শতরান আসেনি তাঁর ব্যাটে। ওয়ান ডে তে ১০ ম্য়াচে মাত্র ৩১.৫০ গড়ে রান করেছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য সন্দীপ পাতিল জানান, ''আমি সচিনকে প্রশ্ন করেছিলাম যে তোমার পরিকল্পনা কী? সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে যে কেন আমি তাঁকে এই প্রশ্ন করছি। আমি তখন বলি যে কমিটি পরিবর্ত খুঁজছে। সচিন অবাক হয়ে গিয়েছিল। নির্বাচকরা একজন প্লেয়ারকে বসিয়ে দিতে পারে, কিন্তু একজন প্লেয়ারকে কখনওই বলতে পারে না, যে তাঁর কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে। আমি সচিনকে প্রশ্ন করেছিলাম যে তুমি খেলা চালিয়ে যাবে? ও বলেছিল হ্যাঁ, চালিয়ে যেতে চায়।''
সন্দীপ পাতিল আরো বলেন, ''সেই সময় ধীরে ধীরে অনেক নতুন নতুন প্লেয়ার দলে আসতে শুরু করে। সেই তালিকায় ছিল শামি, অশ্বিন, রাহানে, জাডেজা, বুমরারা। তাদের কথা কেউ মনে করেনি। সবার রাগ এটা ছিল যে আমরা কেন সচিনকে বাদ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আসল কারণ আমরা তখন ওর পারফরম্য়ান্সের দিকে তাকিয়ে পরিবর্ত খুঁজতে শুরু করেছিলাম। ও সচিন। তাই মানুষের আবেগের বিস্ফোরণ হবেই, এটা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম।''
সচিন তেন্ডুলকর যে বর্তমান সময়ের কত ভারতীয় ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা তার আরও একটি উদাহরণ কিছুদিন আগে দিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টুর্নামেন্ট সেরার খেতাব জিতে স্যামসন বলেছিলেন, 'নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর আমি ভেঙে পড়েছিলাম, আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ঈশ্বরের পরিকল্পনা ছিল অন্যরকম। স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েয়েছিলাম বলেই আজ তার পুরস্কার পেলাম। গত কয়েক মাস ধরে সচিন স্যারের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। ওঁনার প্রতিটা কথা মেনে চলার চেষ্টা করেছিলাম।''


















