MS Dhoni: এজবাস্টনে এক ট্রাক ড্রাইভারকে তাঁর ৫০ তম জন্মদিনে কীভাবে চমকে দিয়েছিলেন ধোনি?
IND vs ENG: এজবাস্টন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান বোর্ডে তুলেছিল ভারত। জবাবে ইংল্য়ান্ড ৪০৭ রানে অল আউট হয়। ১৮০ রানের লিড নিয়েছিল ভারত।

এজবাস্টন: যেই এজবাস্টনে এই মুহূর্তে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্য়াচ খেলছে, সেখানেই একবার এক ট্রাক ড্রাইভারকে তাঁরই জন্মদিনে চমকে দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ক্রিকেটপ্রেমী অ্য়ান্ড্রু সিমস। সেন্ট্রাল ইংল্যান্ডের এই ট্রাক ড্রাইভারকেই ২০১৪ সালে ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড সফরের সময়ে এক চমকে দেওয়া উপহার দিয়েছিলেন তৎকালীন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।
কী করেছিলেন ধোনি? আসলে এজবাস্টনে ভারতীয় দলের ম্য়াচ ছিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সেই সময় সিমসের ৫০ তম জন্মদিনে তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটের জার্সি উপহার দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। এজবাস্টনে ওয়ান ডে ম্য়াচ ছিল। সেই ম্য়াচেই মাঠে ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন সিমস। সেই সময়ই ম্য়াচের ফাঁকে তাঁকে ভারতীয় দলের জার্সি উপহার দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন কুল। এই মুহূর্তে ৬২ বছর বয়স সিমসের। প্রায় এক দশক মাঠের ভলান্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব সামলেছিলেন। পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিমস বলেন, ''এটা আমার জন্য বিরাট একটা মুহূর্ত ছিল। ড্রেসিংরুমের বাইরে আমাকে ধোনি ডেকেছিলেন। এরপর আমার হাতে ভারতীয় দলের জার্সি তুলে দিয়েছিলেন। আমার জন্মদিনের সেরা উপহার ছিল এটি।''
সিমস আরও বলেন, ''বিসিসিআইয়ের এক অফিশিয়াল আমাকে জানিয়েছিলেন যে ধোনি জেনে গিয়েছিলেন আমার ৫০ তম জন্মদিন রয়েছে। এরপরই এজবাস্টন ম্য়াচের দিন আমাকে ড্রেসিংরুমের বাইরে ডেকেছিল ধোনি। সেখানেই আমাকে জার্সি উপহার দেওয়া হয়েছিল।''
এদিকে, এজবাস্টন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান বোর্ডে তুলেছিল ভারত। জবাবে ইংল্য়ান্ড ৪০৭ রানে অল আউট হয়। ১৮০ রানের লিড নিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিংয়ে যশস্বী ও কে এল রাহুল দ্রুত রান তুলেছিলেন শুক্রবার। জয়সওয়াল ২৮ রান করে জশ টাংয়ের বলে আউট হয়ে ফেরেন। তিন নম্বরে নামা করুণ নায়ার আরও একবার ব্যর্থ হলেন। ভাল শুরু করেও ২৬ রান করে ফেরেন তিনি। এরপরই রাহুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন গিল।
প্রথম টেস্টে ৩৭১ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েও হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার তাই আরও বেশি রান বোর্ডে তুলে তবেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করতে চাইছে। রাহুল এদিন অর্ধশতরান পূরণ করেই আউট হয়ে যান। পন্থ ও গিল এরপর গিয়ার বদলে দেন ব্যাটিংয়ের। বিশেষ করে ভারতীয় উইকেট কিপারের আগ্রাসী ব্যাটিং কোথাও উল্টোদিকে চাপমুক্ত করে দেয় গিলকে। ৫৮ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন। ৮টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কা হাঁকান পন্থ। ভারত অধিনায়ক ও সহ অধিনায়ক মিলে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন দ্রুত। পন্থ ফিরে যাওয়ার পর গিলও চালিয়ে খেলা শুরু করেন। জাডেজার সঙ্গে প্রথম ইনিংসে জুটি বেঁধেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬১ রানে আউট হলেন গিল।




















