IND vs AUS 1st Test: পিচ বুঝতে ভুল করেছে অস্ট্রেলিয়া! কী বললেন তারকা ব্য়াটার হ্যান্ডসকম্ব
IND vs AUS: প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ভারতের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১৭৭ রানেই অল আউট হয়ে যায়।

নাগপুর: প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার (IND vs AUS 1st Test) ব্যাটিং মুখ থুবড়ে পড়ে। মাত্র ১৭৭ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস। রবীন্দ্র জাডেজা পাঁচ উইকেট নেন, আর অশ্বিন নেন তিন উইকেট। ম্যাচের আগে নাগপুরের পিচ নিয়ে প্রবল আলোচনা হচ্ছিল। প্রথম দিনের পর অস্ট্রেলিয়ান তারকা পিটার হ্যান্ডসকম্ব (Peter Handscomb) স্বীকার করে নিচ্ছেন অজি দল পিচ বুঝতে খানিকটা ভুলই করেছেন।
পিচের ঘোল
প্রথম দিনের খেলা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে হ্যান্ডসকম্ব বলেন, 'মাঠে নেমে খেলাটা একেবারেই সহজ ছিল না। পিচ যখন ঘোল খাওয়াতে শুরু করে তখন মানসিকভাবেও তার প্রভাব তো পড়েই। তাই খেলাটাও বেশ কঠিনই হয়। কয়েকটি বল প্রত্যাশার থেকে বেশি ঘুরলেই সোজা বল খেলাটা আরও বেশি কঠিন হয়ে যায়। বল বেশি ঘোরার থেকে কিন্তু সোজা বলের বিরুদ্ধে খেলাটাই বেশি কঠিন। জাডেজাও খুব ভাল বল করছিলেন। আমাদের ব্যাটারদের রান করার সুযোগই দেননি। আমার ওঁর বিরুদ্ধে কীভাবে রান করব, সেটাই বুঝে উঠতে পারছিলাম না।'
দলে প্রত্যাবর্তন
৩১ বছর বয়সি হ্যান্ডসকম্ব চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন। এতদিন পর জাতীয় দলে ফেরা এবং টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত অজি তারকা। 'আমি নিজের খেলা নিয়ে অনেক খাটা খাটনি করেছি। মানসিকভাবে, পরিকল্পনায় এবং ব্যাটিং টেকনিক নিয়েও খেটেছি। এত খাটনির পর যখন তার সুফল পাই, তখন সেই অনুভূতিটা সত্যিই দারুণ। দলে সুযোগ পাওয়ায় আমি নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করি।'
জাডেজার অনুশীলন
পাঁচ মাস পরে জাতীয় দলে জাডেজার প্রত্যাবর্তনটাও রাজকীয়ভাবে ঘটে। দিনের খেলা শেষ হওয়ার পর ম্যাচের সম্প্রচারকারী চ্যানেলে জাডেজা বলছিলেন, 'যেভাবে বল করছিলাম, তাতে আমি খুব খুশি। বোলিং উপভোগ করছিলাম। পাঁচ মাস পরে জাতীয় দলে খেলছি। তাও টেস্ট ক্রিকেটে। কঠিন ছিল। তবে আমি তৈরি ছিলাম। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ফিটনেস নিয়ে খুব পরিশ্রম করেছি। অনেকদিন পর একটা প্রথম শ্রেণির ম্যাচ (রঞ্জি ট্রফির) খেলেছিলাম। আর সেই ম্যাচে ৪২ ওভার বল করেছিলাম। টেস্ট ম্যাচ খেলার আগে আমাকে ভীষণ আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল সেটা।'
জাডেজা যোগ করেছেন, 'উইকেটে বাউন্স ছিল না। আমি অফ স্টাম্প লাইনে বল করে গিয়েছি। কয়েকটা বল ঘুরছিল। কয়েকটা বল সোজা যাচ্ছিল। বাঁহাতি স্পিনার হিসাবে ব্যাটসম্যানদের কট বিহাইন্ড বা স্টাম্পড করাতে পারলে খুব ভাল লাগে। টেস্ট ক্রিকেটে সব উইকেটই আনন্দ দেয়।'
আরও পড়ুন: ভারত নয়, প্রথমবার সৌদিতে আয়োজিত হবে সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনাল, ফাইনাল




















