Umesh Yadav: ৩৭ বছর বয়সে আমি নিজেও নিজেকে দলে রাখতাম না: উমেশ
Umesh Yadav Update: শেষবার উমেশ যখন খেলেছিলেন, তখন ভারতী টেস্ট দলের সদস্য ছিলেন বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পূজারা, রোহিত শর্মা, অজিঙ্ক রাহানে। কিন্তু তাঁরা কেউই এখন দলের সদস্য নন।

বিদর্ভ: প্রায় আড়াই বছর আগে শেষবার ভারতীয় দলের জার্সিতে খেলেছিলেন। বিশ্ব টেস্ট চ্য়াম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ২০২৩ সালে ফাইনালে খেলতে নেমেছিল ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্য়াচেই শেষবার দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন উমেশ যাদব। ম্য়াচে খুব একটা ভাল পারফর্ম করতে পারেননি। এমনকী অস্ট্রেলিয়াও ২০৯ রানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ফাইনালে।
শেষবার উমেশ যখন খেলেছিলেন, তখন ভারতী টেস্ট দলের সদস্য ছিলেন বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পূজারা, রোহিত শর্মা, অজিঙ্ক রাহানে। কিন্তু তাঁরা কেউই এখন দলের সদস্য নন। বিরাট ও রোহিত তো টেস্ট থেকে অবসরই নিয়ে নিয়েছেন। রাহানে-পূজারা ভারতীয় ক্রিকেটের টিম ম্য়ানেজমেন্টের ভাবনায় নেই এখন। এই পরিস্থিতিতে ৩৭ বছরের উমেশের জন্য়ও হয়ত জাতীয় দলের দরজা পুরোপুরি বন্ধই হয়ে গিয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে উমেশ নিজেই জানিয়েছেন, ''আমি নিজেও নিজেকে এই পরিস্থিতিতে এই সেট আপে নির্বাচিত করতাম না ভারতীয় দলের জন্য। আমি এখন বেশ কিছু ম্যাচ খেলতে চাই। ম্য়াচ ফিট হয়ে উঠতে চাই। প্রতিযোগিতামূলক ম্য়াচে নামতে চাই। এরপরই দলে ফিরতে চাই।''
টেস্ট ফর্ম্য়াটে ৫৭ ম্য়াচে ১৭০ উইকেট নিয়েছেন উমেশ। ভারতের মাটিতে ৩২ টেস্টে ১০১ উইকেট নিয়েছেন তার মধ্যে। ডানহাতি পেসার বলছেন, ''আমি যখন ক্রিকেট খেলেছিলাম, তখন ভাবিনি যে এতদূর আসতে পারব। এতগুলো ম্য়চ খেলতে পারব দেশের জন্য। ছোটবেলা থেকেই ফাস্ট বোলিং করে আসছি। কোনও অ্য়াকাডেমি অথবা নেটে আলাদা করে অনুশীলন সারিনি। তার জন্য়ই স্বপ্ন দেখিনি যে ভারতের জার্সিতে কোনওদিনও খেলতে পারব। কিন্তু আমি খেলে গিয়েছি।''
View this post on Instagram
উল্লেখ্য, ৩৭ বছরের ডানহাতি ফাস্টবোলার উমেশ যাদবের নাম নেই ভারতীয় বোর্ডের চুক্তির তালিকায়ও। পূজারার মতো উমেশও শেষবার ভারতের জার্সি গায়ে খেলেছেন গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। যে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হেরে যায় ভারত। মহম্মদ শামি চোট পেয়ে বাইরে থাকা এবং যশপ্রীত বুমরাকে বিশ্রাম দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও জাতীয় দলে তাঁর ডাক আসেনি। বরং মুকেশ কুমার, আকাশ দীপদের মতো নতুন মুখের ওপর ভরসা রেখেছেন নির্বাচকেরা।




















