IND vs PAK: স্মৃতিচারণায় ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ, কী বললেন উথাপ্পা?
Robin Uthappa On IND vs PAK: ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে যে ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে চ্য়াম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন উথাপ্পা।

জোহানেসবার্গ: আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে বড় ম্য়াচটি রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ২২ গজে মুখোমুখি হবে। তার আগে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লিগের ম্য়াচের স্মৃতিচারণায় রবিন উথাপ্পা। SA২০ টুর্নামেন্টে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করতে বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকাতেই রয়েছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে যে ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে চ্য়াম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন উথাপ্পা।
গ্রুপের ভারত-পাকিস্তান ম্য়াচটি হয়েছিল ডারবানে। সেই ভেন্যুতেই দাঁড়িয়ে উথাপ্পা ১৯ বছর আগের স্মৃতিচারণা করে বলেন, ''ডারবানে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আমার সঙ্গে। যখনই এখানে আসি আমি, তখনই আলাদা একটা অনুভূতি হয়। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্য়াচ এই ভেন্যুতেই খেলেছিলাম।'' সেই ম্য়াচে ভারতীয় দল প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান বোর্ডে তুলেছিল। ৩৯ বলে দারুণ অর্ধশতরান হাঁকিয়েছিলেন উথাপ্পা। পরে ম্য়াচ টাই হলে বোল আউট হয়। সেখানেই জয় ছিনিয়ে নেয় ভারতীয় দল।
উথাপ্পা বলছেন, ''এখানে পিচ রিপোর্টিংয়ের সময় মনে পড়ে যাচ্ছিল সেই দিনটির কথা। এখানে আমিও বল করেছিলাম। সেই বোল আউট নিয়ে আমরা খুব বেশি কথা বলি না। কিন্তু এটা ঠিক যে আমরা প্রতিপক্ষের থেকে বেশি প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। তাই আমরা সাফল্যও পয়েছিলাম।''
অনুশীলন শুরু করল ভারতীয় দল
বুধবার, ৭ জানুয়ারিই বিরাট কোহলিসহ ভারতীয় ক্রিকেটাররা সিরিজ় শুরুর আগে বঢোদরায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার থেকে অনুশীলনও শুরু করে দিলেন তাঁরা। কোহলি নিজেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে মহাতারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে কেএল রাহুল, যশস্বী জয়সওয়াল, হর্ষিত রানাদেরও অনুশীলন করতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুধবার বিরাট কোহলিকে এক ঝলক দেখার জন্য বিমানবন্দরে সমর্থকদের ঢল নামে। কোহলিকে ঘিরে উত্তেজনা, উন্মাদনা খুবই স্বাভাবিক। তিনি যেখানেই যান সেই খ্যাতি, উত্তেজনার আঁচ টের পাওয়া যায়। বঢোদরায়ও কোহলিকে এক ঝলক দেখার জন্য বঢোদরায় হাজার হাজার অনুরাগী ভিড় জমিয়েছিলেন।
তবে বাড়তি উত্তেজনার ফল সবসময় যে ভাল হয় না, তা বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামীর বাইরে আরসিবির আইপিএল জয়ের পর ১১ জনের পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে দিয়েছিল। বঢোদরায় তেমন কিছু হয়নি। তবে এখানেও কোহলিকে স্পর্শ করার জন্য বিমানবন্দরে উপস্থিত হাজার হাজার সমর্থক কার্যত ঠেলাঠেলি শুরু করে দেয়। তাঁর নাম নিয়ে রনধ্বনি উঠে। সেই প্রবল ভিড় ও চাপের মাঝেই কেউ কোহলিকে দেখার জন্য এগিয়ে যান, তো কেউ আবার তাঁকে স্পর্শ করার জন্য হাত বাড়ান।




















