Sachin Tendulkar: যে লর্ডসে কপিলের হাতে কাপ দেখে ক্রিকেট স্বপ্নের শুরু, সেই মাঠের প্যাভিলিয়নেই বসছে সচিনের ছবি
ENG vs IND 3rd Test: আজ ভারত-ইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে লর্ডসের ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টা বাজিয়ে দিনের খেলা শুরুর ঘোষণাও করেন সচিন।

লন্ডন: মতান্তরে সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার তিনি। অন্তত পরিসংখ্যানের নিরিখে সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) ধারেকাছেও কেউ নেই। সেই সচিন তেন্ডুলকরই এবার বিশেষ সম্মান পেলেন 'হোম অফ ক্রিকেট' হিসাবে পরিচিত লর্ডসে। সচিনের বিশেষ একটি ছবি উন্মোচিত হল আজ। এমসিসির মিউজিয়ামে সেই ছবি রয়েছে।
আজ থেকেই ভারত ও ইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরু হয়েছে। লর্ডসেই হচ্ছে খেলা। সেই ম্যাচের আগেই 'মাস্টার ব্লাস্টার'-র এই ছবিটি উন্মোচিত হয়। স্টুয়ার্ট পিয়ারসন রাইট এই ছবিটি আঁকেন। সচিনের শহর মুম্বইতেই ১৮ বছর আগে এই ছবিটি তোলা হয়েছিল। সেই ছবিটিই নিজের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুললেন স্টুয়ার্ট। এই বছরের শেষের দিক পর্যন্ত মিউজিয়ামেই এই ছবিটি রাখা হবে। তবে তারপর সেটিকে প্যাভিলিয়নে সরিয়ে আনা হবে।
সচিন একা নন, এর আগে আরও তিন ভারতীয় ক্রিকেটার (সব মিলিয়ে মোট পাঁচ ভারতীয়র ছবি রয়েছে এমসিসিতে) ছবি এমসিসির জন্য এই স্টুয়ার্ট পিয়ারসনই এঁকেছেন। এঁরা হলেন কপিল দেব, বিষণ সিংহ বেদী, দিলীপ বেঙ্গসরকার। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন সচিন। তবে বাকিদের থেকে সচিনের ছবিটি খানিক ভিন্ন। এক প্রেস রিলিজ় অনুযায়ী বাকিদের মতো ফুল লেংথ নয়, সচিনের ছবিটিতে কেবল তাঁর মাথা থেকে কাঁধ পর্যন্ত রয়েছে। সচিনের 'লার্জার দ্যান লাইফ' ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তুলতেই কাঁধ পর্যন্ত এই ছবিটি আঁকা হয়। স্টুয়ার্ট পিয়ারসন নিজেও জানান যে এমসিসির তরফে সচিনের ছবিটি বাকি ভারতীয়দের ছবির থেকে ভিন্ন করার জন্য বলা হয়েছিল।
সচিনের ক্ষেত্রে এইটা যেন জীবন পরিপূর্ণ হওয়ার মতো অনুভূতি। আবেগতাড়িত সচিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্রসঙ্গে লেখেন, 'এটা বিরাট গর্বের বিষয়। ১৯৮৩ সালে ভারতীয় দলের বিশ্বকাপ জয়ের মধ্যে দিয়েই প্রথমবার আমার লর্ডসের সঙ্গে পরিচিতি হয়। আমাদের অধিনায়ক কপিল দেব, ট্রফি হাতে দেখেছিলাম। সেটা থেকেই তো আমার ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। আজ যখন আমার ছবি এই প্যাভিলিয়নে রাখা হচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে জীবনটা যেন পরিপূর্ণ হল। আমার কেরিয়ারের দিকে তাকালে আমার মুখে হাসি ফুটে ওঠে। এটা নিঃসন্দেহেই বিশেষ আবেগের।'
এই ছবি উন্মোচনের পর সচিনকে আজ ভারত-ইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে লর্ডসের ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজানোর জন্যও অনুরোধ করা হয়েছিল এবং তিনি সেটা করেনও। এই বিশেষ দিনে সস্ত্রীকই লর্ডসে হাজির হয়েছেন তেন্ডুলকর।




















