এক্সপ্লোর
চাপের মুখে বল ফস্কে চার রান দেওয়ার পর ডি ককের প্রতি বুমরাহর ব্যবহার জিতে নিল সবার মন
শেষ ওভারে লাসিথ মালিঙ্গার দুরন্ত বোলিং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএলের ফাইনালে জয় এনে দিয়েছে। এই জয়ের ফলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়ল।

বিশাখাপত্তনম: শেষ ওভারে লাসিথ মালিঙ্গার দুরন্ত বোলিং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএলের ফাইনালে জয় এনে দিয়েছে। এই জয়ের ফলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়ল। চেন্নাইয়ের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৯ রান করে মুম্বই। শেষ ওভার পর্যন্ত গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়ের পক্ষে সবকিছুই ঠিকঠাক হচ্ছিল। কিন্তু শেন ওয়াটসন (৮০) –এ রান আউট বদলে দিল ম্যাচের রঙ। শেষ বলে জয়ের জন্য দুই রানের দরকার ছিল চেন্নাইয়ের। কিন্তু শার্দুল ঠাকুরকে এলবিডব্লু আউট করে মুম্বইয়ের চতুর্থবারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নিশ্চিত করলেন মালিঙ্গা। চেন্নাইকে ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৪৮ রানে থামতে হল। মুম্বই এবারের আইপিএলের রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই ম্যাচে মুম্বইয়ের তারকা বোলার জসপ্রিত বুমরাহ শুধু বল হাতেই নয়, নিজের ব্যবহারেও সবার মন জয় করলেন। ১৭ ওভার শেষ হওয়ার পর চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ৩৮ রানের দরকার ছিল। কিন্তু ১৮ তম ওভারে ওয়াটসন ক্রুনাল পান্ড্যর বলে তিনটি ছক্কা সহ ২০ রান তুলে ম্যাচের পাল্লা নিজেদের দিকে টেনে আনেন। চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ১২ বলে প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। ১৯ তম ওভারে মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুমরাহর হাতে বল তুলে দেন। এই ওভারে অসাধারণ বোলিং করেন তিনি। প্রথম পাঁচ বলে মাত্র পাঁচ রান দেন। কিন্তু শেষ বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক একটা বড় ভুল করে বসলেন। বুমরাহ দারুণ একটা বাউন্সার দেন। ব্যাটসম্যান রবীন্দ্র জাডেজা ওই বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি। উইকেটরক্ষকের কাছে এই বল ধরাটা একেবারেই সহজ ছিল। কিন্তু ডি ককের হাত ফস্কে যায় বল। সোজা বাউন্ডারিতে চলে যায়। ওরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হাত ফস্কে চলে গেল চার-চারটি রান। তা দেখে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সমর্থকরাই শুধু নন, অধিনায়কও হতাশ হন। ধারাভাষ্যকাররাও বলতে থাকেন. এটা কী করলেন ডি কক! উইকেটরক্ষক নিজেও যেন বুঝতে পারছিলেন না, এটা হল কীভাবে। ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া তো আকারে-ইঙ্গিতে বলেই ফেললেন, ডি কক তো দক্ষিণ আফ্রিকার। তাই চাপের মুখে এমনটা হতেই পারে। সবার চোখেই ডি ককের ওই ভুল তখন বেশ বড় হয়ে দেখা দেয়। কিন্তু বোলার বুমরাহ সংযম বজায় রেখে যে প্রতিক্রিয়া দেখালেন, তা সবার নজর কেড়ে নেয়। তিনি ডি ককের পাশে দিয়ে তাঁর কাঁধে হাত রাখলেন। সহানুভূতির স্পর্শ দিয়ে যেন বললেন, এমনটা তো হতেই পারে। এর জের টেনে লাভ নেই। পরের বলের জন্য প্রস্তুত হও।
খেলার (Sports) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















