IPL 2025: টুর্নামেন্টের মাঝেই হঠাৎ বাড়ি ফিরে গেলেন, কী হল রাবাডার?
Kagiso Rabada: আগের মরশুম পর্যন্ত খেলেছিলেন তারকা প্রোটিয়া পেসার। এই মরশুমের আগে নিলাম থেকে গুজরাত টাইটান্স দলে নিয়েছে কাগিসো রাবাডাকে।

আমদাবাদ: আইপিএল চলছে। এর মাঝেই দেশে ফিরলেন কাগিসো রাবাডা। এই মরশুমে গুজরাত টাইটান্সের জার্সিতে খেলেছিলেন রাবাডা। প্রতি ম্য়াচেই তাঁকে একাদশে দেখা গিয়েছে। কিন্তু আচমকাই দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে গেলেন তারকা প্রোটিয়া পেসার। কিন্তু কেন? বৃহস্পতিবারই এক বিবৃতি দিয়েছে গুজরাত টাইটান্স শিবির। সেখানেই রাবাডার বাড়ি ফিরে যাওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে গুজরাতের প্রথম দুটো ম্য়াচ পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে ছিল। সেই দুটো ম্য়াচেই খেলেছেন রাবাডা। প্রথম ম্য়াচে নিজের পুরনো দল পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ৪১/১ ও দ্বিতীয় ম্য়াচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৪২/১ ছিল রাবাডার স্পেল।
টাটা আইপিএলের তরফেও এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ''কাগিসো রাবাডা গুজরাত টাইটান্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ওঁ দেশে ফিরে গিয়েছে। নিজের ব্যক্তিগত কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় উড়ে গিয়েছে প্রোটিয়া পেসার।''
আরসিবির বিরুদ্ধে ম্য়াচে গুজরাত জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু সেই ম্য়াচে খেলেননি রাবাডা। গুজরাত অধিনায়ক শুভমন গিল টস জেতার পর জানিয়েছিলেন যে রাবাডা ব্যক্তিগত কারণে দলের সঙ্গে আসতে পারেননি।
গতকাল ম্য়াচে টস জিতে আরসিবিকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক শুভমন গিল। অনেকে ভেবেছিলেন, যে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষকে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠানো মানে তো কাঁধের ওপর বিরাট রানের বোঝা চাপিয়ে নেওয়া, সিদ্ধান্ত ব্যুমেরাং হবে না তো? যদিও অন্যরকম কিছু ভেবেছিলেন গুজরাত টাইটান্সের বোলাররা। এবং অবশ্যই মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন। আইপিএল নিলামের আগে তাঁকে রিটেন করেনি আরসিবিও। এমনকী, মেগা নিলাম থেকেও তাঁকে কেনেনি আরসিবি। গুজরাত টাইটান্স নিলাম থেকে হায়দরাবাদের পেসারকে কিনে নেয়।
সিরাজ জবাব দেওয়ার জন্য বেছে নিলেন আরসিবি ম্য়াচকেই। ৪ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট। শিকারের তালিকায়? ফিল সল্ট, দেবদত্ত পাড়িক্কল ও লিয়াম লিভিংস্টোন। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে যায় আরসিবি। বিরাট কোহলি ব্যর্থ। মাত্র ৭ রান করে ফেরেন। তবু লিভিংস্টোনের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে বোর্ডে ভদ্রস্থ রান তুলেছিল আরসিবি। ১৬৯/৮ তোলেন রজত পাতিদারেরা। যদিও চিন্নাস্বামীর মতো বড় রান ওঠে এরকম মাঠে এই স্কোর যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই।
তবে শুরুতেই ভুবনেশ্বর কুমার শুভমন গিলের উইকেট তুলে নেওয়ার পর একটু আশার সঞ্চার হয়েছিল আরসিবি শিবিরে। যদিও সেই আশা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সাই সুদর্শন ৩৬ বলে ৪৯ রান করেন। বাটলার ৩৯ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। দুজনে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৭৫ রান যোগ করেন। সেখানেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়।




















