PBKS vs MI: সাবালক হওয়ার মরশুমে নতুন চ্যাম্পিয়ন পাচ্ছে আইপিএল, ফাইনালে আরসিবি বনাম পঞ্জাব
Shreyas Iyer: বলাবলি হচ্ছে, এবারের আইপিএল (IPL 2025) সাবালক হওয়ার আইপিএল। কারণ, এটা আইপিএলের ১৮তম মরশুম।

আমদাবাদ: বলাবলি হচ্ছে, এবারের আইপিএল (IPL 2025) সাবালক হওয়ার আইপিএল। কারণ, এটা আইপিএলের ১৮তম মরশুম। আর সেই সাবালক হওয়ার বছরে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত টি-২০ টুর্নামেন্ট।
কারণ, মঙ্গলবার, ৩ জুন আইপিএলের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে এমন দুই শিবির, যারা বারবার তারকাখচিত দল গড়েও আইপিএল ট্রফির দেখা পায়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। যারা ৯ বছর পর আইপিএল ফাইনালে পৌঁছেছে। আর তাদের সামনে পঞ্জাব কিংস। যারা ফাইনালে উঠল ১১ বছর পর। ২০১৪ সালে বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ফাইনালে শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল প্রীতি জিন্টার পঞ্জাব কিংসের। এবার শাপমোচনের হাতছানি।
পঞ্জাবের কাছে ফাইনাল প্রতিশোধ নেওয়ার মঞ্চও। কারণ, কোয়ালিফায়ার ওয়ানে আরসিবির কাছে একপেশেভাবে হেরেছিল পঞ্জাব। ফাইনালে আরসিবিকে হারানো মানে ট্রফি জয়ের পাশাপাশি কোয়ালিফায়ারে পরাজয়ের হিসেব মেটানোর সুযোগও।
রবিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে পঞ্জাবের ৫ উইকেটে জয়ের নায়ক শ্রেয়স আইয়ার। যিনি চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে পাহাড়প্রমাণ চাপ সামলে ৪১ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেললেন। ৫ চার ও ৮ ছক্কা, দুশোর ওপর স্ট্রাইক রেট শুধু স্কোরবোর্ডের জন্য। যে স্কোরবোর্ডকে গাধা বলে গিয়েছেন কিংবদন্তি ক্রিকেট লিখিয়ে নেভিল কার্ডাস।
যে স্কোরবোর্ডে লেখা থাকবে না শ্রেয়সের লড়াইয়ের গল্প। আইপিএলে যাঁর কাহিনি কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম নয়। তিনিই আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক, যিনি দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পরের মরশুমেই সেই দল থেকে কার্যত 'বিতাড়িত' হন। শ্রেয়সের চুক্তির অর্থ বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল কেকেআর। বরং ২৩ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় বেঙ্কটেশ আইয়ারকে কেনা শ্রেয় মনে করেছিল নাইট কর্তৃপক্ষ। অপমানিত শ্রেয়সও কথা বাড়াননি। তাঁকে কিনে নিয়েছিল প্রীতির পঞ্জাব। নেতৃত্বের মুকুটও তুলে দিয়েছিল মাথায়।
রবিবার মুম্বইয়ের ২০৩/৬ তাড়া করতে নেমে পঞ্জাব কিংসের স্কোর যখন ৫.১ ওভারে ৫৫/২, বাকি ৮৩ বলে ১৪৯ রান তোলার অগ্নিপরীক্ষা, ক্রিজে নামলেন শ্রেয়স। খানিক পরেই ফিরে গেলেন জশ ইংলিসও। চতুর্থ উইকেটে নেহাল ওয়াধেরার সঙ্গে ৪৭ বলে ৮৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে পঞ্জাবের জয়ের ভিত গড়ে দিলেন।
আমদাবাদ শ্রেয়সের কাছে পয়মন্ত মাঠ। এই মাঠে শ্রেয়সের টি-২০ রেকর্ড? ৫৭ (অপরাজিত), ৯৭ (অপরাজিত), ৫৮ (অপরাজিত), ৩৭, ৯, ৮ (অপরাজিত), ৬৭ এবং ৮৭ (অপরাজিত)। মুম্বইয়ের কাছে আবার এই মাঠই অভিশপ্ত। এ নিয়ে আমদাবাদে টানা ছয় ম্যাচ হারল মুম্বই।
ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন থেকে মঙ্গলবারের অপেক্ষা শুরু করে দিয়েছেন।




















