IPL News: বিসিসিআইয়ের কার্যালয় থেকে চুরি গেল সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার আইপিএল জার্সি! গ্রেফতার নিরাপত্তারক্ষী
Wankhede Stadium: ১৩ জুন মিরা রোডের বাসিন্দা ওই নিরাপত্তারক্ষী জার্সিগুলি চুরি করেন। তবে ঘটনাটি তার বেশ কয়েকদিন পরে ধরা পড়ে।

মুম্বই: প্রিয় দলের বা প্রিয় ক্রিকেটারের জার্সি বাড়িতে নিয়ে আসতে কে না চায়। সেই কারণেই তো মার্কেটে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, সবসময়ই জার্সি বেচাকানা চলে। এই জার্সিকে কেন্দ্র করেই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে (Wankhede Stadium) ঘটে গেল এক বিরাট ঘটনা। এক, দুই নয়, চুরি গেল একেবারে ২৬১টি জার্সি, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিসিসিআইয়ের অফিস থেকে ফারুখ আসলাম খান নামক এক নিরাপত্তারক্ষী স্টোররুম থেকে ২০২৫ সালের আইপিএলের (IPL 2025) জার্সি চুরি করেন। বিভিন্ন দলের এই জার্সির প্রতিটির মূল্য প্রায় ২৫০০টাকার আশেপাশে। ঠিক কী কারণে এত জার্সি সেখানে রাখা ছিল, তা জানা না গেলেও, সেই নিরাপত্তারক্ষীকে এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেই খবর। পুলিশের তরফে জানানো হয় ৪০ বছর বয়সি ওই নিরাপত্তারক্ষী জুয়ায় আসক্ত এবং নিজের জুয়ার নেশার জন্য টাকা জোগাড় করতেই এই জার্সিগুলি চুরি করেন। তারপর তিনি সেগুলি হরিয়ানার এক অনলাইন জার্সি বিক্রেতাকে বিক্রি করে দেন।
১৩ জুন মিরা রোডের বাসিন্দা ওই নিরাপত্তারক্ষী জার্সিগুলি চুরি করেন। তবে ঘটনাটি তার বেশ কয়েকদিন পরে ধরা পড়ে। অডিটের সময় দেখা যায় জার্সির একটি স্টক নেই। ১৭ জুন এক বিসিসিআই আধিকারিক মেরিন ড্রাইভ পুলিশ স্টেশনে এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করেন। এক সূত্র জানান এই ঘটনা জানাজানি হতেই বিসিসিআই আধিকারিকরা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেন এবং সেখানেই অভিযুক্ত ফারুখকে এক কার্ডবোর্ডের বক্স সরাতে দেখা যায়।
যে জার্সি বিক্রেতাকে এই জার্সিগুলি বিক্রি করা হয়েছিল, তদন্তের জন্য পুলিশ তাঁকে ডেকে পাঠায়। তবে পুলিশ সূত্রে জানানো হচ্ছে যে ওই বিক্রেতা জানতেনই না যে এই জার্সিগুলি আদপে চুরি করা। ওই নিরাপত্তারক্ষী বিক্রেতাকে জানিয়েছিলেন বিসিসিআইয়ের অফিসে সংস্কারের কাজ শুরু হবে, তাই এই জার্সিগুলি স্টক ক্লিয়ারেন্সের জন্য সেলে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।
এই জার্সিগুলি বিক্রি করে ফারুখ যে টাকাটা পান, সেটাও আর তাঁর কাছে নেই বলেই তিনি দাবি করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী তিনি গোটা টাকাটাই জুয়া খেলে খুইয়েছেন। পুলিশ অবশ্য তাঁর ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখছে। বিক্রি হওয়া এই ২৬১টি জার্সির মধ্যে এখনও পর্যন্ত কেবল ৫০টি জার্সিই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই জার্সিগুলি বিসিসিআইয়ের অফিসে রাখা হয়েছিল, সেই বিষয়টি অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।




















