Virat Kohli: তিন বছরের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়ে ঠিক কী অনুভব করেছিলেন? খোলসা করলেন কোহলি
Virat Kohli: বিরাট কোহলি গত বছরে শতরানের খরা কাটানোর পর ওয়ান ডে এবং টেস্টেও একটি করে শতরান করে ফেলেছেন।

নয়াদিল্লি: চলতি আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। টুর্নামেন্টের অন্যতম সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক তিনি। তবে বছর খানেক আগেও বিরাট কোহলি নিজের খারাপ ফর্মের জন্য চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তিন বছর কোনও ধরনের ক্রিকেটেই শতরান হাঁকাতে পারেননি তিনি। সেই নিয়ে কম জল্পনা-কল্পনা হয়নি। তবে এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করেই সেই খরা কাটান বিরাট।
শতরানের খরা চলাকালীন প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ার পর সমালোচকদের জবাব দিতে পেরে ঠিক কী অনুভূব করেছিলেন 'কিংগ কোহলি'। অবশেষে সেই নিয়ে মুখ খুললেন বিরাট। কোনওরকম রাখঢাক না করেই কোহলি জানান তিনি শতরানের পর স্বস্তির হাসি হেসেছিলেন। তিনি বলেন, 'শতরান হাঁকানোর বলের আগেই আমার মাথায় আসে যে আমি ৯৪ রানে ব্যাট করছি এবং আমি আজ শতরান হাঁকাতে পারি। পরের বলেই আমি ছয় মারি। তবে শতরান করার পর আমি খুব হাসছিলাম। আমার বুঝতে পারছিলাম না যে সত্যিই কি এই জিনিসটার জন্য আমি বিগত দুই বছর ধরে কাঁদছিলাম! তবে এই বিষয়টা দুই সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়নি। দুই সেকেন্ড পরেই গোটা বিষয়টা মাথা থেকে মুছে ফেলি।'
ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহাতারকা আরও যোগ করেন, 'পরের দিন তো আবারও সূর্য উঠবে। আমি তো সারাজীবন আর একটি শতরান ধরে বসে থাকতে পারি না। এই একটা শতরান ধরে সারাজীবন কি আর উল্লাসে মেতে থাকা যায়? গোটা বিষয়টিতে আমার ভীষণ হাসি পেয়েছিল।' তবে বিরাট জানান তিনি সেইসময় হাসলেও, পরবর্তীতে তাঁর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে কথা বলার সময়েই আবেগঘন হয়ে পড়েন।
তবে সেইসব দুঃস্বপ্নের দিন এখন অতীত। ওই শতরানের পর কোহলি কিন্তু ওয়ান ডে এবং টেস্ট, উভয় ফর্ম্যাটেই শতরান করে ফেলেছেন। আরসিবি তারকা চলতি আইপিএলে ৪২০ রান করে ফেলেছেন। সামনেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। ইংল্যান্ডের ওভালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। আবার বছরের শেষের দিকে ভারতেই বসতে চলেছে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের আসর। তাই বিরাট কোহলির ফর্মে থাকাটা কিন্তু ভারতীয় দলের জন্য় ভীষণই প্রয়োজনীয়। কোহলি নিজের ফর্ম ধরে রাখতে পারেন কি না, সেটাই দেখার বিষয়।
আরও পড়ুন: সাঁতার কাটার সময় কীভাবে চোখ রক্ষা করবেন ইনফেকশন থেকে? নজরে থাকুক সহজ কয়েকটি টিপস






















