Battery Management System: দূর থেকে মুহূর্তেই বন্ধ করে দেওয়া যায় ব্যাটারি চলিত যানবাহন, তিন মোবাইল অ্যাপ সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রের
Applications: কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট অ্যাপগুলি অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: দূর থেকেই বন্ধ করে দেওয়া যায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা। আর এই কাজ করতে সক্ষম কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন। এবার এই ৩ অ্যাপ্লিকেশনকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে ব্লুটুথ ব্যবহার করে কিছু ই-রিকশার ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা BMS -এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায়। আর তারপর গাড়ির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া যায়। আর এভাবেই মাঝ রাস্তায় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল ই-রিকশা। এই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বন্ধুত্বে ঘুম উড়েছে চিনের
শুক্রবার সিআইআই সাইবার সিকিউরিটি সম্মেলনের ফাঁকে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট অ্যাপগুলি অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরে সরকারি সূত্র জানায়, BAT-BMS, Lossigy এবং Epoch-i-ion নামে তিনটি অ্যাপের বিরুদ্ধে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর অ্যাপ স্টোরগুলিকেও আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। সরকারের মতে, কোনও অ্যাপ প্ল্যাটফর্মে প্রকাশের আগে তার নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি যথাযথভাবে যাচাই করা উচিত, যাতে ক্ষতিকর অ্যাপ ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছতে না পারে।
আরও পড়ুন: মেট্রোয় ‘How to Kill Men’ বই পড়ছিলেন এক মহিলা, মুহূর্তে ভাইরাল সেই ভিডিও!
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দাবি করা হয় যে ব্লুটুথ-সক্ষম ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সংযুক্ত হয়ে কিছু ব্যক্তি দূর থেকেই ই-রিকশা বন্ধ করে দিচ্ছেন। এই ঘটনায় সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দিল্লি সরকারও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পরিবহণ দফতরকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ধরনের অ্যাপ মূলত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ভোল্টেজ, তাপমাত্রা ও অন্যান্য তথ্য পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি। কিন্তু কিছু কম নিরাপত্তাসম্পন্ন ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে পাসওয়ার্ড বা অথেন্টিকেশনের ব্যবস্থা না থাকায় অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, এর ফলে কিছু ই-রিকশা মাঝরাস্তায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং চালকদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এই ঘটনার পর ইলেকট্রিক ভেহিকলে সাইবার নিরাপত্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।























