Ananda Sakal : আন্দোলনের প্রকৃতি নিয়ে একই সুর মমতা ও অভিষেকের, পাল্টা কী বললেন চাকরিহারারা ?
Ananda Sakal : লাঠি চালাল পুলিশ, গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিয়ে আন্দোলনকারীদের থানায় হাজিরার নোটিসও পাঠাল পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে আজ এসএসসির চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলনের লক্ষ্মণরেখা মনে করালেন মুখ্য়মন্ত্রী। বললেন, 'আমি আন্দোলনের বিপক্ষে নই। কিন্তু আন্দোলন করারও একটা লক্ষ্মণরেখা আছে।' পাল্টা মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে অতীতের বিধানসভা ভাঙচুরের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন বিরোধীরা। এদিকে, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সুর শোনা গেল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের গলাতেও। বললেন, 'আন্দোলন করাটা সবার অধিকার, কিন্তু ধ্বংসাত্মক আন্দোলন নয়। জোর জবরদস্তি গেট ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলন কখনও উগ্র হয় না। আন্দোলন কখনও হিংস্র হয় না। এরইমধ্য়ে চাকরিহারারা বলছেন - এতগুলো জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এর থেকে ধ্বংসের আর কী হতে পারে? এটা কি ধ্বংসাত্মক নয়?
নেতাজি ইন্ডোরের সভায় গত সাতই এপ্রিল মুখ্য়মন্ত্রী চাকরিহারাদের বলেছিলেন, "আমরা কপিল সিব্বলকে বলছি, আমরা রাকেশ দ্বিবেদীকে বলছি, আমরা কল্যাণ ব্য়ানার্জিকে বলছি, আমরা প্রশান্ত ভূষণকেও বলতে বলেছি। এবং তা ছাড়াও, আরও অনেক লিগাল ফার্ম থাকবে যারা রাজ্য সরকারের হয়ে যোগ্য শিক্ষকদের সমর্থনে আইনি লড়াই করবে। যারা যোগ্য, তাদের চাকরি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।"আর আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "আমি তো মিটিং করে বলেছিলাম, আমরা রিভিউ করব। কোর্টের ব্য়াপারে আমাদের আইন মেনে চলতে হয়। একটা বাধ্য় বাধকতা থাকে। এটা সবাইকে বুঝতে হবে। আমাদের দিক থেকে আমরা রিভিউ পিটিশন করেছি। যদি রিভিউ পিটিশন অ্য়ালাও করে, ভাল কথা। আমরা চাইব, আমাদের আইনজীবীরা চাইবেন তাঁদের মতো। যাতে ওঁদের চাকরি থাকে। কিন্তু, সেখানে আদালত যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমি বলতে পারি না যে, আমি মানব না। কারণ, আদালতের সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বাধ্য়।"






























