Ananda Sakal : 'কেউ দিয়েছেন ২৫ লাখ, কেউ ৫০ লাখ, তাও টিকিট পায়নি', মদনের নিশানায় 'আইপ্যাক'
Ananda Sakal : তৃণমূলে 'টাকার খেলা' সংক্রান্ত মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি মুখে ক্ষমা চাইলেন মদন মিত্র। সুব্রত বক্সীকে চিঠি লিখে ক্ষমা চেয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক। কিন্তু টাকা তুলছে কারা ? মদনের নিশানায় এবার 'আইপ্যাক'।
'তৃণমূলে ব্যাপক টাকার লেনদেন হচ্ছে। কেউ রাতারাতি একশো কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছেন!' দলের একাংশকে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য় করেছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দলীয় পদ পেতেও টাকার খেলা চলছে বলে অভিযোগ কামারহাটির বিধায়কের। পাশাপাশি, কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সুরেই মন্ত্রীদের একাংশকে আক্রমণ করেছেন মদন মিত্র।
'তৃণমূলে টাকা ছাড়া কোনও কাজ হয় না!' বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে বারবার এই অভিযোগ করে আসছে। কিন্তু দিনকয়েক আগে খোদ মদন মিত্র যা বলেন, তা বিস্ফোরক! তিনি বলেন, "দলের মধ্যে একটা ব্যাপক টাকার লেনদেন হচ্ছে। আমি মদন মিত্র একটা MLA ছিলাম, আমার কোনও ক্ষমতাই ছিল না। রাতারাতি আমি এখন ১০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছি। তা এখন আমার পদ চাই। তা আমি বললাম ভাই আমায় একটা মন্ত্রী করে দে। না ভাই, মন্ত্রী হতে গেলে, ভাল মন্ত্রী হতে গেলে ১০ কোটি লাগবে, আমি ১০ কোটি দিয়ে দিলাম। মন্ত্রী হল কী হল না পরের কথা। যদি হয়ে গেলাম তাহলে ১০ কোটি থেকে ২০ কোটি বানালাম, আর যদি না হলাম ১০ কোটি চলে গেল। এফআইআর করা যায় না। কারণ, এর মধ্যে এর কোনও ডকুমেন্টস নেই।"
তাঁর বক্তব্য, "শুধুই মন্ত্রী পদের জন্য়ই নয়, তৃণমূলে সাংগঠনিক পদের নেপথ্য়েও সেই টাকার খেলাই চলছে বলে অকপটে জানিয়েছেন মদন মিত্র। তাঁর বক্তব্য, একেবারে নীচের তলার পদ, ব্লকের পদ, সমিতির পদ, পঞ্চায়েতের পদ, জেলা পরিষদের পদ, জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পদ, একেকটা সেল ধরুন, ডালহৌসি এলাকার অমুক সেল, তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ১০ লাখ, উঠে যাচ্ছে তো। ভাল বিনিয়োগ তো।"






























