এক্সপ্লোর
রাজ্যপালের নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, কটাক্ষ সুব্রতর, পাল্টা দিলীপ-মুকুল
'এর আগে কোনওদিন এরকম দেখিনি। রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান। তিনি চাইলেই সবরকম নিরাপত্তা পেতে পারেন। আরও বেশি নিরাপত্তা দরকার হলে এখানেই বলতে পারতেন। ওভারটেক করে গিয়ে দিল্লিকে বলার দরকার ছিল না। দিল্লি যে পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করবে, সেটা বোধহয় দরকার ছিল না। কারণ, কোনও রাজ্যপাল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, এটা কোনওদিন শুনিনি।' রাজ্যপালের নিরাপত্তায় সিআরপিএফ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ বছর আরপিএফের সুরক্ষা নিয়েছিলেন। রাজ্যপালকে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়াই ভাল। এখানকার পুলিশের উপর যদি মুখ্যমন্ত্রীরই বিশ্বাস না থাকে, তাহলে রাজ্যপালকে কীভাবে সুরক্ষা দেবে? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপালকে অপমান করা হয়েছে। তাঁকে অবশ্যই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়া উচিত,’ দাবি দিলীপ ঘোষের। ‘বাংলায় গণতন্ত্র নেই। বাংলায় কোনও মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাজ্যপালকে ডেকে অপমান করা হয়। তাঁর জীবনও সুরক্ষিত নয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে নিরাপত্তা দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে,’ দাবি মুকুল রায়ের।

'এর আগে কোনওদিন এরকম দেখিনি। রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান। তিনি চাইলেই সবরকম নিরাপত্তা পেতে পারেন। আরও বেশি নিরাপত্তা দরকার হলে এখানেই বলতে পারতেন। ওভারটেক করে গিয়ে দিল্লিকে বলার দরকার ছিল না। দিল্লি যে পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করবে, সেটা বোধহয় দরকার ছিল না। কারণ, কোনও রাজ্যপাল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, এটা কোনওদিন শুনিনি।' রাজ্যপালের নিরাপত্তায় সিআরপিএফ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ বছর আরপিএফের সুরক্ষা নিয়েছিলেন। রাজ্যপালকে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়াই ভাল। এখানকার পুলিশের উপর যদি মুখ্যমন্ত্রীরই বিশ্বাস না থাকে, তাহলে রাজ্যপালকে কীভাবে সুরক্ষা দেবে? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপালকে অপমান করা হয়েছে। তাঁকে অবশ্যই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়া উচিত,’ দাবি দিলীপ ঘোষের। ‘বাংলায় গণতন্ত্র নেই। বাংলায় কোনও মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাজ্যপালকে ডেকে অপমান করা হয়। তাঁর জীবনও সুরক্ষিত নয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে নিরাপত্তা দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে,’ দাবি মুকুল রায়ের।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
নির্বাচন ২০২৬
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খবর
নির্বাচন ২০২৬
























