কার্যকরী কোভিশিল্ড, আশ্বাস চিকিৎসকদের
বয়স্কদের ওপর কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। সত্তরোর্ধ্বদের শরীরে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে যথেষ্ট কার্যকরী Oxford-Astra Zeneca-র এই ভ্যাকসিন। গবেষণায় উঠে আসা তথ্যতে হাতিয়ার করে দাবি ব্রিটেন প্রশাসনের। নিশ্চিন্তে এই ভ্যাকসিন নিতে পারেন প্রবীণরা, আশ্বাস চিকিত্সকদের।
বিশ্বকে করোনামুক্ত করার লক্ষ্যে ভ্যাকসিন কাজ করে চলেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা। চলছে গবেষণা, চলছে ভ্যাকসিনেশন।
কিন্তু চিন্তার মেঘ পুরোপুরি কাটছে না। কারণ, বিজ্ঞানীদের আতস কাচের নীচে ধরা পড়ছে করোনার একের পর এক নতুন স্ট্রেন।
ভাইরাস যেখানে বার বার চরিত্র বদল করছে, সেখানে কতটা কার্যকরী এইসব ভ্যাকসিন? বিশেষ করে বয়স্কদের শরীরে?
বিশ্বজুড়ে চলা টিকাকরণের মাঝেই বড় হয়ে উঠেছে এই প্রশ্ন।
গত ডিসেম্বরে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা প্রতিষেধকের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেয় ব্রিটেন। পাশাপাশি, সে দেশে টিকাকরণ শুরু হয় Oxford-Astra Zeneca-র কোভিশিল্ডেরও! কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি Oxford-Astra Zeneca-র ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে ব্রিটেনেও।
ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দফতর পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের প্রকাশ করা প্রিপ্রিন্ট রিরোর্টে দাবি করা হয়েছে, ৭০ বছর বা তার বেশী বয়সীদের শরীরে Pfizer (ফাইজার) ও Oxford-Astra Zeneca-র ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকরী। বয়স্কদের শরীরে করোনা প্রতিরোধে Pfizer-এর ভ্যাকসিন কার্যকরী ৫৭ থেকে ৬১ শতাংশ। Oxford-Astra Zeneca-র ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৬০ থেকে ৭৩ শতাংশ।
ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দফতর পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী,
৮০ বছর তা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, Oxford-Astra Zeneca-র ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা কমেছে প্রায় ৮০ শতাংশ। Pfizer-এর ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে ৮০ বছর তা তার বেশি বয়সীদের মৃত্যুহার কমেছে ৮৩ শতাংশ।






















