Royal Enfield Bullet 650 : রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৬৫০ কবে আসছে বাজারে, জেনে নিন সম্ভাব্য দাম, ফিচার্স
Royal Enfield Bullet 650 Launch : আরও শক্তিশালী ইঞ্জিনের বাইক নিয়ে আসতে চলেছে রয়্যাল এনফিল্ড (Royal Enfield Bikes)।

Royal Enfield Bullet 650 Launch : শীঘ্রই হতে চলেছে সব জল্পনার অবসান। আরও শক্তিশালী ইঞ্জিনের বাইক নিয়ে আসতে চলেছে রয়্যাল এনফিল্ড (Royal Enfield Bikes)। এবার তারা আনছে, রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৬৫০ (Royal Enfield Bullet 650)
কবে থেকে এই বাইক ভারতের বাজারে
১৯৩২ সাল থেকে টানা ভারতের বাজারে রয়েছে রয়্যাল এনফিল্ডের এই জলপ্রিয় মডেল। দীর্ঘদিন ধরেই বাইকারদের মনে রাজত্ব করে চলেছে আইকনিক নেমপ্লেট ‘বুলেট’। এবার রয়্যাল এনফিল্ডের টুইন-সিলিন্ডার পরিবারে আরও পাওয়ারফুল ইঞ্জিন যোগ হতে চলেছে। মে মাসের শেষ বা জুন মাসের শুরুর দিকেই ভারতে অফিশিয়ালি লঞ্চ হতে পারে নতুন Royal Enfield Bullet 650।
সম্ভাব্য দাম ও লঞ্চের সময়
রয়্যাল এনফিল্ড সম্ভবত মে মাসের শেষ দিকে অথবা জুনের শুরুতে এই বাইকটি বাজারে আনবে। দামের ক্ষেত্রে এটি কোম্পানির ক্লাসিক ৬৫০ (Classic 650) রেঞ্জের কাছাকাছি থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। Classic 650-এর বেস ভ্যারিয়েন্ট ‘Hotrod’-এর এক্স-শোরুম দাম প্রায় ৩.৬৫ লাখ টাকা।
মনে করা হচ্ছে, Bullet 650-এর দামও এর কাছাকাছি অর্থাৎ ৩.৪০ লাখ থেকে ৩.৬৫ লাখ টাকার (এক্স-শোরুম) মধ্যে রাখা হতে পারে। এটি রয়্যাল এনফিল্ডের রেট্রো পোর্টফোলিওতে একটি প্রিমিয়াম বাইক হতে চলেছে।

রয়্যাল এনফিল্ড পরিবারে সবচেয়ে শক্তিশালী 'বুলেট'
নতুন Bullet 650-তে ব্যবহার করা হচ্ছে রয়্যাল এনফিল্ডের জনপ্রিয় ৬৫০ সিসি প্যারালাল-টুইন প্ল্যাটফর্ম। ফলে হাইওয়েতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, স্মুথ ক্রুজিং এবং দূরপাল্লার ট্যুরিংয়ের ক্ষেত্রে এটি বাইকারদের এক দারুণ অভিজ্ঞতা দেবে।
কতটা শক্তিশালী হবে ইঞ্জিন:
কী রয়েছে নতুন ইঞ্জিন: ৬৪৭.৯৫ সিসি প্যারালাল-টুইন (Parallel-Twin) ইঞ্জিন
কতটা দেবে পাওয়ার: ৪৭ bhp @ ৭,২৫০ rpm
কী হবে টর্ক: ৫২.৩ Nm @ ৫,৬৫০ rpm
এখানে নতুনগিয়ারবক্স: ৬-স্পিড গিয়ারবক্স
রেট্রো লুক ও আইকনিক ডিজাইন বজায় থাকবে
যান্ত্রিকভাবে বড় পরিবর্তন আসলেও, বুলেটের চিরপরিচিত সিগনেচার লুকে কোনও আপস করেনি রয়্যাল এনফিল্ড। বাইকে থাকছে, ঐতিহ্যবাহী সোজা বসার পজিশন ও টিয়ারড্রপ শেপের ফুয়েল ট্যাঙ্ক। এ ছাড়াও ট্যাঙ্কে থাকছে রয়্যাল এনফিল্ডের আইকনিক উইংড ব্যাজ (Winged Badge)। সিগনেচার ক্যাসকেট-স্টাইল হেডল্যাম্প হাউজিং এবং ১৯৫০-এর দশকের ঐতিহ্যবাহী “টাইগার-আই” পাইলট ল্যাম্প।
আরও পাবেন কী
এবারও বাইকে পাবেন মেটাল বডি, হাতে আঁকা পিনস্ট্রাইপ ও চেনা সিলুয়েট যা দূর থেকেও এক নজরেই বুঝিয়ে দেবে এটি একটি ‘বুলেট’। হার্ডওয়্যার, ব্রেকিং ও কমফোর্টের দিক থেকে লং রাইডের কথা মাথায় রেখে বাইকটির চ্যাসিস ও সাসপেনশনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
ফ্রেম ও সাসপেনশন: স্টিল টিউবুলার স্পাইন ফ্রেমের সঙ্গে থাকছে ৪৩ মিমি টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং টুইন রিয়ার শক অ্যাবজর্বার।
হুইল সাইজ: বাইকটির রাজকীয় উপস্থিতি ধরে রাখতে সামনে ১৯-ইঞ্চি এবং পেছনে ১৮-ইঞ্চির হুইল দেওয়া হয়েছে।
ব্রেকিং ও সেফটি : সুরক্ষার জন্য রয়েছে ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস (Dual-Channel ABS)। সামনে ৩২০ মিমি এবং পেছনে ৩০০ মিমি ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে।
আরামদায়ক রাইডিং: রাইডারের সুবিধার জন্য চওড়া বেঞ্চ সিট এবং উঁচুতে থাকা হ্যান্ডেলবার রয়েছে। এর সিট হাইট ৮০০ মিমি এবং কার্ব ওয়েট ২৪৩ কেজি। দূরপাল্লার রাইডের জন্য রয়েছে ১৪.৮ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক।
এবার বাইকে পাবেন আধুনিক ফিচারের ছোঁয়া
পুরোনো দিনের আমেজ ধরে রাখলেও দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধার্থে এতে বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, এবার থাকছে সম্পূর্ণ এলইডি হেডল্যাম্প এবং এলইডি টেল ল্যাম্প। সেমি-ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার (যা ট্রিপ ইনফরমেশন, গিয়ার পজিশন ইন্ডিকেটর এবং সার্ভিস রিমাইন্ডার দেখাবে)। ফোন বা গ্যাজেট চার্জ করার জন্য একটি ইউএসবি টাইপ-সি (USB Type-C) চার্জিং পোর্ট।
আরও পড়ুন : হন্ডা সিটি ফেসলিফ্টে দারুণ মাইলেজ, হাইব্রিডের দাম অনেকটাই বেশি ! দেখে নিন ছবি























