8th Pay Commission : সরকারি কর্মীরা পেতে পারেন দারুণ খবর ! ৪৬,০০০ টাকা হতে পারে ন্যূনতম বেসিক পে
8th Pay Commission Update : কর্মীদের বেতন, এরিয়ার ও ভাতা নিয়ে ইতিমধ্যেই পরামর্শের আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। যার জন্য একটি পোর্টাল খোলা হয়েছে । বিশাল লাফ দেবে বেসিক পে ?

8th Pay Commission Update : কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য শীঘ্রই আসতে পারে সুখবর। অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) আওতায় বদলে যেতে পারে বেসিক পে (Basic Pay) বা মূল বেতনের পরিকাঠামো (Salary News Update)। কর্মীদের বেতন, এরিয়ার ও ভাতা নিয়ে ইতিমধ্যেই পরামর্শের আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। যার জন্য একটি পোর্টাল খোলা হয়েছে । আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই পোর্টালে পরামর্শ দিতে পারবে কর্মী, পেনশন হোল্ডার ছাড়াও স্টাফ ইউনিয়ন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক সূত্র বলা হয়েছে , এই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরামর্শ পর্যায়কেই প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে ধরছে সরকার।
কেন ৪৬,০০০ টাকা বেসিক পে হতে পারে
যদিও অষ্টম বেতন কমিশন বাস্তবায়নের আগেই এর মূল বেতন নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। যেখানে আগামী বেতন কাঠামোয় মূল বেতন বাড়িয়ে ৪৬,০০০ টাকা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বাড়ালেই এই বেসিক পে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, স্যালারি রিভিশন বা ফিটমেন্ট ফ্য়াক্টরের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। একবার কমিশন এই বিষয়ে সুপারিশ করার পরই সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নেবে।
আগের পে কমিশনে কী হয়েছে
২০১৬ সালে সপ্তম পে কমিশনে ন্যূনতম বেসিক স্য়ালারি ছিল ১৮,০০০ টাকা। সর্বোচ্চ বেসিক স্যালারি ছিল ২,৫০,০০০ টাকা। কমপ্রেশন রেসিও ছিল ১: ১৩.৯
ইতিমধ্যেই পরামর্শ পর্ব শুরু হয়েছে
সরকার ইতিমধ্যেই স্যালারি স্ট্রাকচার সংস্কার করতে অষ্টম বেতন কমিশনের বিষয়ে নোটিফিকেশন প্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর এই বিষয়ে নোটিফাই করা হয়েছে। কমিশনকে ১৮ মাসের মধ্য়ে এই বিষয়ে যাবতীয় পরামর্শ দিতে বলা হয়েছে। একবার সুপারিশ করার পর এই বিষয়ে সরকার অনুমতি দেবে। একবার সরকারের ছাড়পত্র পেলে মোট ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন। বাদ যাবে না ৬৯ লাখ পেনশন হোল্ডাররা।
আগের কমিশনগুলিতে বেতন কাঠামোয় পর পর বৃদ্ধি দেখা গেছে। বেতন কমিশনের অতীত বলছে, প্রথম কমিশনের ন্যুনতম বেসিক পে ৫৫ টাকা থেকে বেড়ে ষষ্ঠ কমিশনে ১৮০০০ টাকায় উন্নীত হয়েছিল। এক কথায় যা মূলত পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক চাহিদারই প্রতিফলন। আপাতত, আগামী মাসগুলিতে এই পরামর্শ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। যার পরই এই বিষয় কমিশনের সুপারিশ মনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
























