রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে জাল ৫০০ টাকার নোটের সংখ্যা রেকর্ড ২০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১,১৭,৭২২টি জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছিল, যা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বেড়ে ১,৪১,৯০৭ পিস হয়েছে।
Fake Rs 500 Note : হু হু করে বাড়ছে জাল ৫০০ টাকার নোট, নোটবন্দির পর নতুন আতঙ্ক, উদ্বেগজনক রিপোর্ট দিল RBI
RBI Report On Fake Rs 500 Note : যা নিয়ে উদ্বেগজনক রিপোর্ট দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI। আপনার কাছের ৫০০ টাকার নোটগুলি আসল তো ?

- রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী জাল ৫০০ টাকার নোট বৃদ্ধি
- অর্থবর্ষে জাল নোট উদ্ধারের পরিমাণ প্রায় ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি
- প্রতারকরা ৫০০ টাকার নোটে জালিয়াতীর পরিমাণ বাড়িয়েছে
- প্রচলিত নোটের নিরাপত্তা ফিচারকেও ভেদ করছে প্রতারকরা
RBI Report On Fake Rs 500 Note : নোটবন্দির (Demonetisation)এক দশক পর নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল ভারতের অর্থনীতিতে (Indian Economy)। এবারও সৌজন্যে জাল ৫০০ টাকার নোট। যা নিয়ে উদ্বেগজনক রিপোর্ট দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI। আপনার কাছের ৫০০ টাকার নোটগুলি আসল তো ?
কী বলছে রিজার্ভ ব্যঙ্কের রিপোর্ট
ভারতের অর্থনীতি থেকে কালো টাকা মুক্ত ২০১৬ সালে নোটবন্দির ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও প্রায় এক দশক পার করে ফের জাল নোটে ভরে যাচ্ছে ভারতের বাজার। অন্তত তেমনই বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) সাম্প্রতিক বার্ষিক রিপোর্ট। যা স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে এক উদ্বেগের ছবি।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় জাল নোট উদ্ধারের পরিমাণ এক ধাক্কায় প্রায় ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই চক্রের মূল নিশানা এখন মহাত্মা গান্ধীর নতুন সিরিজের ৫০০ টাকার নোট। RBI-এর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে যেখানে মোট ২,১৭,৩৯৬টি জাল নোট ধরা পড়েছিল, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,২৯,৭৪৬ পিস।
৫০০ টাকার নোটে রেকর্ড বৃদ্ধি
পরিসংখ্যান বলছে, বাজারে প্রচলিত নোটগুলির মধ্যে জালিয়াতদের সবচেয়ে পছন্দের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ টাকার নোট। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে জাল ৫০০ টাকার নোটের সংখ্যা রেকর্ড ২০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ: ১,১৭,৭২২টি জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ: সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৪১,৯০৭ পিস।
বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার পর ৫০০ টাকার নোটই এখন ভারতের ক্যাশ ট্রানজ্যাকশনের মূল মেরুদণ্ড। আর সেই সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছে জালিয়াতরা।
এক নজরে বিভিন্ন নোটের পরিসংখ্যান
শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি লাফ দিয়েছে ২০ টাকার জাল নোট (৪৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধি)। তবে স্বস্তির বিষয় এই যে, ১০০, ২০০ এবং ৫০ টাকার জাল নোট উদ্ধারের সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। নিচে একটি তালিকার মাধ্যমে বিস্তারিত দেওয়া হল:
নোট: ২০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়ার কারণেই এটি জাল হওয়ার সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে।
উন্নত সিকিউরিটি ফিচারকে ব্রেক করছে প্রতারকরা ?
এরা আগে নোটবন্দির পর নতুন রঙের ৫০০ ও ২০০০ টাকার নোট আনা হয়েছিল। সেই সময় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের তরফে দাবি করা হয়েছিল, এগুলির সিকিউরিটি থ্রেড, মাইক্রো-লেটারিং, ল্যাটেন্ট ইমেজ ও বিশেষ মোটিফ নকল করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু RBI-এর এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করছে যে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জালিয়াতরা নতুন নোটের নিরাপত্তা বলয়কেও ভেদ করতে শুরু করেছে। যা স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে চিন্তার বিষয়।
আরও পড়ুন : SBI রিওয়ার্ডস পয়েন্টের নামে বড় জালিয়াতি, আপনার কাছে এসেছে এই মেসেজ ?
Frequently Asked Questions
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী জাল ৫০০ টাকার নোটের পরিমাণ কত বেড়েছে?
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় মোট কতগুলি জাল নোট উদ্ধার হয়েছে?
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় মোট ২,২৯,৭৪৬টি জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। এটি আগের অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ৫.৭ শতাংশ বেশি।
কোন নোটের জাল হওয়ার সংখ্যা শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে?
শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ টাকার জাল নোট (৪৭.৪ শতাংশ)। তবে, ১০০, ২০০ এবং ৫০ টাকার জাল নোট উদ্ধারের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।
প্রতারকরা কি নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ভেদ করতে পারছে?
হ্যাঁ, RBI-এর পরিসংখ্যান প্রমাণ করছে যে জালিয়াতরা নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যকেও ভেদ করতে শুরু করেছে। এটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জন্য একটি চিন্তার বিষয়।






















