AC Using Tips : এই গরমেও বরফের মতো ঠান্ডা হাওয়া দেবে এসি, কেবল লাগবে এক বালতি জল !
Air Conditioner: এই গরমে মাঝে মধ্যেই আশানুরূপ ঠান্ডা করতে পারছে না এসি (Air Conditioner)। ফলে বার বার ডাকতে হচ্ছে সার্ভিসিংয়ের লোক। এবার আপনার মুশকিল আসান করে দেবে এক বালতি জল। কী করতে হবে জানেন ?

Air Conditioner Using Guide : ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এসির দ্বারস্থ (AC Using Tips) হওয়া ছাড়া এখন মুক্তি নেই। যদিও এই গরমে মাঝে মধ্যেই আশানুরূপ ঠান্ডা করতে পারছে না এসি (Air Conditioner) । ফলে বার বার ডাকতে হচ্ছে সার্ভিসিংয়ের লোক। এবার আপনার মুশকিল আসান করে দেবে এক বালতি জল। কী করতে হবে জানেন ?
৫০ ডিগ্রির কাছে পৌঁছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, বাঁচাবে এক বালতি জল ?
গরমে একন পরিবেশ এমন হয়েছে, যে প্রায় ৫০ ডিগ্রির কাছে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা। এই পরিস্থিতিতে ঘরের এসিকেও রুম ঠান্ডা করতে সমস্য়ায় পড়তে হচ্ছে। টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চললেও সেভাবে ঠান্ডা হচ্ছে না ঘর। যদিও এসির চলার কারণে বেড়েই চলেছে বিদ্যুৎ বিল। আপনার বাড়িতেও যদিও এই সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে সমাধান পাবেন এক বালতি জলে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই অবিশ্বাস্য অথচ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে।
এসির এই বাইরের অংশটির বিষয়ে আমরা ভাবি না
আপনাকে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, এসির মূল কাজ হল ঘরের গরম বাতাস টেনে তা আউটডোর ইউনিটের কনডেন্সার কয়েলের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেওয়া। পাশাপাশি ঘরের বাতাসকে ঠান্ডা করা। কিন্তু বাইরের তাপমাত্রা যখন অত্যাধিক বেশি থাকে, তখন এই কয়েলগুলো নিজে থেকেই প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়ে যায়। ফলে রেফ্রিজারেন্ট বা গ্যাসটি গরম বাতাসকে পুরোপুরি ঠান্ডা করতে পারে না। যার ফলে ঘরের বাতাসও গরম হতে থাকে। পাশাপাশি বাড়তে থাকে বিদ্যুতের বিল।
এক বালতি জলেই রয়েছে সমস্য়ার সমাধান
এরকম একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে আপনার কী করা উচিত ? সাধারণত গরমের দিনে এসির আউটডোর ইউনিটের কয়েলগুলি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। এই অবস্থায় এসির আউটডোর ইউনিটের মেটাল ফিন বা কয়েলের ওপর ঠান্ডা জল ঢাললে, তা কয়েলের সংস্পর্শে এসে দ্রুত বাষ্পীভূত হতে শুরু করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ইভাপোরেটিভ কুলিং ।
এরপর বাইরের ইউনিটে ঢালা জল বাষ্পীভূত হওয়ার সময় কয়েল থেকে অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে নেয়। ফলে কয়েলগুলি দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায় । সেই ক্ষেত্রে ভিতরের রেফ্রিজারেন্ট বা গ্যাসটি বাতাসকে অনেক বেশি ঠান্ডা করার সুযোগ পায়। এর ফলে এসির কম্প্রেসরের ওপর বাড়তি চাপ কমে ও ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয়। তবে মনে রাখবেন, এই পদ্ধতিটি মূলত শুষ্ক ও চরম গরম আবহাওয়ায় সবচেয়ে ভালো কাজ করে। যেখানে বাতাসে আদ্রতা থাকে, সেখানে এই ধরনের পরিস্থিতি নাও হতে পারে।
তবে জল ঢালার আগে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এই বিষয়গুলি
আউটডোর ইউনিটে জল ঢালার ক্ষেত্রে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি, অন্যথায় বড়সড় দুর্ঘটনা বা এসির ক্ষতি হতে পারে:
মনে করে আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করুন : জল ঢালার আগে অতি অবশ্যই এসি বন্ধ করুন ও মেইন পাওয়ার স্যুইচ বা এমসিবি (MCB) অফ করে দিন।
দেখেশুনে জল ঢালবেন: বালতি বা পাইপের সাহায্যে আউটডোর ইউনিটের পেছনের ও পাশের মেটাল ফিনের ওপর হালকাভাবে জল দিন। অতিরিক্ত জলের তোড় বা প্রেশার ওয়াশার ব্যবহার করবেন না, এতে ফিনগুলি বেঁকে যেতে পারে।
ইলেকট্রিক্যাল প্যানেলে যেন জল না ঢোকে: খেয়াল রাখবেন যেন কোনওভাবেই এসির ইলেকট্রিক্যাল প্যানেল, মেইন ওয়্যারিং বা কন্ট্রোল বক্সের ভেতরে জল না ঢোকে।
আউটডোর প্যানেল শুকোনোর সময় দিন: জল ঢালার পর এসি সঙ্গে সঙ্গে চালু করবেন না। অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট ইউনিটটি পুরোপুরি শুকানোর জন্য সময় দিন, তারপর এসি অন করুন। মনে করে , আউটডোর ইউনিটের পাশাপাশি ঘরের ভেতরের এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এসির কুলিং ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
এসি থেকে দ্বিগুণ ঠান্ডা পাওয়ার আরও কিছু জরুরি টিপস:
১ এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা এবং জানালা পুরোপুরি বন্ধ রাখুন, যাতে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে না আসতে পারে।
২ এসির তাপমাত্রা সবসময় ২৪ ডিগ্রিতে সেট করে রাখুন। তাপমাত্রা বারবার কমালে বা বাড়ালে কম্প্রেসরের ওপর চাপ পড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। ২৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা শরীর এবং পরিবেশ উভয়ের জন্যই আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী।
৩ এসির সাথে হালকা স্পিডে সিলিং ফ্যান চালিয়ে রাখুন। ফ্যান চালালে এসির ঠান্ডা হাওয়া ঘরের চারকোণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ঘর নিমেষেই শীতল হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন : এসির সঙ্গে সিলিং ফ্যান চালালে বিল কম আসে ? আসল সত্যিটা কী ?
Before You Go
ABI News: ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার কমাল এসবিআই,১৬ মে থেকে কার্যকর হবে নতুন সুদের হার






















