চেক বাউন্স হলে সেকশন ১৩৮ আইনের আওতায় ফৌজদারি মামলা হতে পারে। এতে জেল এবং চেকের পরিমাণের দ্বিগুণ জরিমানা হতে পারে।
Cheque Bounce Rules : এবার চেক বাউন্স হলেই জেল ? ২ বছরের হাজতবাস ছাড়াও দ্বিগুণ জরিমানা ! কী বলছে আইন
Cheque Bounce Legal Case : জানেন , ডিসওনারড চেক বা বাউন্স চেকের জন্য জেল যাত্রা নিশ্চিত হতে পারে আপনার। সঙ্গে রয়েছে দ্বিগুণ জরিমানার (Cheque Bounce Fines) নিয়ম।

- অপর্যাপ্ত তহবিল বা অ্যাকাউন্ট বন্ধে চেক বাউন্স হলে আইনি ব্যবস্থা।
- চেক জমা, রিটার্ন মেমো ও আইনি নোটিশ প্রক্রিয়া মানতে হবে।
- নোটিশ সত্ত্বেও অর্থ না পেলে ২ বছরের জেল হতে পারে।
- দ্বিগুণ জরিমানা ও সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব।
Cheque Bounce Legal Case : কথা বলে কাজ হবে না, চেক বাউন্স (Cheque Bounce Rules) হলে এবার সরাসরি আইনি ফাঁপরে পড়তে হতে পারে আপনাকে। জানেন , ডিসওনারড চেক বা বাউন্স চেকের জন্য জেল যাত্রা নিশ্চিত হতে পারে আপনার। সঙ্গে রয়েছে দ্বিগুণ জরিমানার (Cheque Bounce Fines) নিয়ম। জেনে নিন, কোন ক্ষেত্রে কী আইন রয়েছে চেক বাউন্সে।
চেক বাউন্স করলে সেকশন ১৩৮ আইনের আওতায় পড়বেন আপনি
আপনার চেক কোনও কারণে বাউন্স করলে সমস্যা বাড়বে। এই আইনে এটি ফৌজদারি মামলার অন্তর্গত হবে। কী কী কারণে এই ধারা আপনার ওপর আরোপিত হতে পারে।
১ যা চেক দিয়েছেন, সেই তুলনায় কম বা অপর্যাপ্ত ফান্ড থাকলে
২ চেক ক্লিয়ার হওয়ার আগেই অ্য়াকাউন্ট বন্ধ করে দিলে।
৩ কোনও বৈধ কারণ ছাড়াই পেমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া।
৪ টেকনিক্যাল সমস্য়া বা স্বাক্ষরের অমিল হলে এই সমস্য়ায় পড়বেন আপনি।
এই আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, একবার কাউকে চেক দিলে, সেই টাকা ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত প্রেরক দায়বদ্ধ।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে ১৩৮ ধারায় কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে এই বিষয়গুলি আপনাকে মাথায় রাখতে হবে
১ চেক ইস্যু হওয়ার তিন মাসের মধ্য়ে তা জমা দিতে হবে।
২ যে ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সেটি রিটার্ন করছে তার থেকে 'রিটার্ন মেমো' অবশ্যই নিন। সাধারণত ব্যাঙ্কে টাকা না থাকার কারণে চেকটি রিটার্ন আসে।
৩ চেক বাউন্স হওয়ার খবর পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্য়ে পাওনাদারকে আইনি নোটিস পাঠাতে হবে।
৪ নোটিসে টাকা পরিশোধের জন্য ১৫ দিনের সময় দিতে হবে।
৫ এরপরও যদি পাওনাদার আপনাকে বকেয়া টাকা না দেয়, তাহলে ৩০ দিনের মধ্য়ে আইনি নোটিস পাঠাতে হবে।
এই ক্ষেত্রে টাকা না দিলে কী হতে পারে
১ নোটিস পিরিয়ডের মধ্য়ে টাকা দিয়ে দিলে মামলা বন্ধ হয়ে যাবে।
২ একবার আইনি নেটিসকে অবহেলা করলে কোর্ট কেস শুরু হয়ে যাবে।
৩ কোনওভাবে অপরাধী প্রমাণিত হলে ২ বছরের জেল হতে পারে।
৪ টাকা দিতে অবহেলা করলে জরিমানা বাবদ চেকের পরিমাণের দ্বিগুণ টাকা দিতে হতে পারে।
৫ তবে সমঝোতা বা সেটলমেন্টের অবশনে রয়েছে, দুই পক্ষ নিজেরা বিষয়টি মিটিয়ে নিলে তা সেটলড বলে ধরে নেওয়া হবে।
চেক বাউন্সের থেকে নিজেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন
১ কাউকে চেক দেওয়ার আগে নিজের অ্য়াকাউন্টে সেই টাকা আছে কিনা দেখে নিন।
২ নিজের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ও চেক ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ায় নজর রাখুন ।
৩ কোনওভাবেই ব্য়াঙ্ক বা পোস্ট ডেডেট চেক দেবেন না।
৪ কোনওক্রমে আইনি নোটিস পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিন, না হলে সমস্য়া বাড়বে।
আরও পড়ুন : এই মহিলাদের জন্য দারুণ খবর ! জিরো ব্য়ালেন্সে অ্য়াকাউন্ট, ব্যাঙ্ক নেবে না ফি !
আরও পড়ুন : ১০০০ থেকে ৭৫০০ টাকা হবে ন্যূনতম পেনশন ? শীঘ্রই পাবেন সুখবর !
Frequently Asked Questions
চেক বাউন্স হলে কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে?
কোন কোন কারণে চেক বাউন্স হতে পারে?
অপর্যাপ্ত ফান্ড, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া, কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই পেমেন্ট বন্ধ করা, টেকনিক্যাল সমস্যা বা স্বাক্ষরের অমিল হলে চেক বাউন্স হতে পারে।
চেক বাউন্সের ক্ষেত্রে মামলা করার জন্য কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে?
চেক ইস্যুর তিন মাসের মধ্যে জমা দেওয়া, রিটার্ন মেমো নেওয়া, ৩০ দিনের মধ্যে আইনি নোটিশ পাঠানো এবং নোটিশে টাকা পরিশোধের জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া জরুরি।
আইনি নোটিশ পাওয়ার পর টাকা না দিলে কী হতে পারে?
আইনি নোটিশ অবহেলা করলে আদালত মামলা শুরু করবে। অপরাধী প্রমাণিত হলে ২ বছরের জেল এবং চেকের দ্বিগুণ জরিমানা হতে পারে।
চেক বাউন্স হওয়া থেকে নিজেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়?
চেক দেওয়ার আগে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা আছে কিনা দেখে নিন। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও চেক ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ায় নজর রাখুন এবং আইনি নোটিশ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।























