Standard Chartered Bank Layoffs : ৭,০০০ কর্মী ছাঁটাই করবে এই ব্যাঙ্ক, ভারতে চাকরিহারা হবে বহু !
Job Cut : এর ফলে সবথেকে বেশি চাকরি হারাবে এশিয়া তথা ভারতের কর্মীরা।

Job Cut : প্রযুক্তি খাতের পর এবার কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে বড় ব্য়াঙ্কগুলি। ইতিমধ্যেই বিশ্বে যার প্রভাব পড়তে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এই বহুজাতিক ব্যাঙ্ক (Standard Chartered Bank) জানিয়েছে ৭,০০০ কর্মী ছাঁটাই করবে। এর ফলে সবথেকে বেশি চাকরি হারাবে এশিয়া তথা ভারতের কর্মীরা।
কোন ব্যাঙ্ক নিয়েছে সিদ্ধান্ত
'স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড' (Standard Chartered Bank) ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের করপোরেট বিভাগ থেকে প্রায় ৭,০০০-এরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেছে। কর্মীদের পরিবর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ওই জায়গায় মানেুষর জায়গা নেব। এক কথায় এআই-এর কারণে কাজ যাবে বহু কর্মীর।
কী বলা হয়েছে রিপোর্টে
এই বিষয়ে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়েছে, লন্ডনে সদর দফতর থাকা এই ব্যাঙ্ক তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও মুনাফা বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী চার বছরে করপোরেট বিভাগের প্রায় ১৫ শতাংশ কর্মী কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে এই বিভাগে কর্মরত ৫২,০০০ কর্মীর মধ্যে ৭,০০০ জন এই ছাঁটাইয়ের মুখে পড়তে পারেন। বিশ্বব্যাপী ব্যাঙ্কে প্রায় ৮২,০০০ মানুষ কর্মরত রয়েছেন।
কেন এই কর্মী ছাঁটাই, কী বলছেন সিইও
ব্যাঙ্কের কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে মুখ খুলেছেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO) বিল উইন্টার্স । তিনি জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ কেবল খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি, বরং এটি ব্যাঙ্কের একটি বড় ধরনের প্রযুক্তিগত রূপান্তরের অংশ। তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, যেসমস্ত কর্মী নিজেদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে (Reskill) ও এগিয়ে যেতে চান, তাদের নতুন করে প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্য পদে স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারত ও এশিয়ার ব্যাক-অফিসগুলোতে
এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই অটোমেশনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে চলেছে এশিয়ার ব্যাক-অফিস কেন্দ্রগুলির ওপর। বিশেষ করে ভারতের চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও পোল্যান্ডের ওয়ারশ-তে অবস্থিত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অফিসগুলি সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে।
বড় মুনাফার লক্ষ্য়েই এই কাজ
প্রযুক্তির এই ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ব্যাঙ্ক তাদের দীর্ঘমেয়াদি মুনাফার পূর্বাভাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড আশা করছে, ২০২৮ সালের মধ্যে তাদের 'রিটার্ন অন ট্যাঞ্জিবল ইকুইটি' (ROTE) ১৫ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা প্রায় ১৮ শতাংশে গিয়ে পৌঁছাবে। ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ব্যাঙ্ক তাদের ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট ও রিটেইল ব্যাংকিংয়ের মতো উচ্চ-মুনাফার ব্যবসাগুলি বেশি মনোযোগ দেবে।
আরও পড়ুন : এবার চাকরি যাবে ৩,০০০ কর্মীর, বন্ধ হচ্ছে একাধিক অফিস, ভারতে বড় প্রভাব !






















