Swami Ramdev : 'মানবদেহ মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়কর স্থান', বাবা রামদেব দিলেন এই স্বাস্থ্যের মন্ত্র
Patanjali Yogpeeth : রামদেবের (Ramdev) মতে, শরীরের ভিতরে প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য জটিল প্রক্রিয়া চলতে থাকে, অথচ মানুষ সাধারণত তখনই সেদিকে মনোযোগ দেয়, যখন কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।

Patanjali Yogpeeth : জীবনযাপনের পথে শরীরই সবকিছু। শরীরের মধ্যেই রয়েছে বিস্ময়ের স্থান। যা নিয়ে সকলের জন্য নতুন বার্তা দিলেন বাবা রামদেব (Swami Ramdev)। সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভ সেশনে যোগগুরু (Yog Guru) মানবদেহের অসাধারণ গঠন ও এর গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, মানবদেহ মহাবিশ্বের অন্যতম সেরা বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে চলেছে। রামদেবের (Ramdev) মতে, শরীরের ভিতরে প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য জটিল প্রক্রিয়া চলতে থাকে, অথচ মানুষ সাধারণত তখনই সেদিকে মনোযোগ দেয়, যখন কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
প্রাকৃতিক খাদ্য ও ভাল ঘুমই মূল মন্ত্র
এই লাইভ সেশনে এসে রামদেব, স্বাস্থ্যকর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের উপর জোর দিয়ে একটি আকর্ষণীয় তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, সহজলভ্য পেঁয়াজ প্রাকৃতিকভাবে ভাল ঘুমে সাহায্য করে। তার মতে, কিছু প্রাকৃতিক খাবার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে, যা মানুষকে কোনও বাইরের ওষুধ ছাড়াই ভাল বিশ্রাম ও গভীর ঘুম দিতে পারে।
যকৃৎ ও কিডনির ভূমিকা
এদিন শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কাজ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাবা রামদেব যকৃৎ ও কিডনিকে "স্বাস্থ্যের ভিত্তি" হিসেবে বর্ণনা করেন। রামদেব বলেন, যকৃৎ শুধু হজমেই সাহায্য করে না, বরং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে ও সঠিক বিপাকক্রিয়া বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একইভাবে, কিডনি রক্তকে বিশুদ্ধ করে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও ভারসাম্যের জন্য এই অঙ্গগুলি সঠিক কার্যকারিতা অপরিহার্য।
যোগব্যায়াম ও ভেষজের গুরুত্ব
লাইভে রামদেব কপালভাতি ও অনুলোম বিলোমের মতো প্রাণায়াম অনুশীলনের সুবিধার কথা তুলে ধরে বলেন। তিনি বলেন, এগুলি ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ায় ও মানসিক স্বচ্ছতা আনে। তিনি অশ্বগন্ধার মতো ঐতিহ্যবাহী ভেষজের গুরুত্বের উপরও জোর দেন, যা মানসিক চাপ কমাতে ও শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সুশৃঙ্খল জীবনধারাই সুস্থতার মূল চাবিকাঠি
সেশনটি শেষ করার সময় তিনি মানুষকে একটি সুশৃঙ্খল জীবনধারা গ্রহণের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যোগব্যায়ামের অনুশীলনে ধারাবাহিকতা, সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও আয়ুর্বেদিক পণ্যের সঠিক ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে। তার মতে, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা ও শরীরের সক্ষমতাকে সম্মান করাই একটি সুস্থ জীবনের আসল পথ।






















