CSR: কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার যথাযথ পালনেই বদলাচ্ছে সমাজ, বদলাচ্ছে গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য পরিষেবার চেহারা
Corporate Social Responsibility: শিক্ষাক্ষেত্রে আচার্যকুলম স্কুল এবং গুরুকুলের মত প্রতিষ্ঠানগুলি যোগশিক্ষার পাশাপাশি ভারতীয় ঐতিহ্য এবং আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটাচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ভারতে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগগুলি সামাজিক সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ, টাটা গ্রুপ, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগে লক্ষণীয় (Corporate Social Responsibility) অবদান রেখেছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে। এই সংস্থাগুলি এবং এদের ট্রাস্টগুলি মাঝেমাঝেই বিনামূল্যে যোগ প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করে, আয়ুর্বেদিক গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করে, এমনকী গ্রামীণ উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে তাদের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি উদ্যোগের মাধ্যমে।
এই সমস্ত প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলির এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের মধ্যে যে শুধু স্বাস্থ্য ও নীরোগ শরীর বজায় রাখার (Corporate Social Responsibility) বার্তা ছড়িয়ে পড়ে তাই নয়, এর সঙ্গে কৃষকরাও জৈবিক কৃষিকাজে উৎসাহী হয়ে ওঠেন। তাছাড়া নামি-দামি ভারতীয় সংস্থাগুলি গ্রামাঞ্চলে তাদের কারখানাও স্থাপন করেছে যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানো হচ্ছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও মজবুত করা হচ্ছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে আচার্যকুলম স্কুল এবং গুরুকুলের মত প্রতিষ্ঠানগুলি যোগশিক্ষার পাশাপাশি ভারতীয় ঐতিহ্য এবং আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটাচ্ছে।
মহিলাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে
আজ, দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলি তাদের সিএসআর উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রেখেছে। যেমন টাটা গ্রুপ দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নানাবিধ ভূমিকা রেখেছে। টাটা ট্রাস্ট গ্রামাঞ্চলে বহু স্কুল স্থাপন করেছে, দুস্থ শিশুদের পড়াশোনার জন্য স্কলারশিপ দিয়েছে। একইভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং নারী ক্ষমতায়নে প্রভূত ভূমিকা রেখেছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির আয়োজন করে থাকে এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে মহিলাদের।
গ্রামাঞ্চলে স্কুল স্থাপন করছে সংস্থাগুলি
মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা সংস্থা তাদের কর্পোরেট সোশাল রেসপন্সিবিলিটির মাধ্যমে সমাজ বদলের নানাবিধ চেষ্টা করে চলেছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষাক্ষেত্রে এই সংস্থা বড় অবদান রেখেছে। মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয়েছে বিনামূল্যে বৃক্ষরোপণ ক্যাম্পেইন, গ্রামাঞ্চলে স্থাপিত হয়েছে বহু স্কুল। এর মাধ্যমে সমাজে নিরক্ষরতা দূরীভূত হয়েছে, দারিদ্র্য ঘুচেছে অনেকটাই।
পতঞ্জলির অবদান
সারা দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান জৈব চাষ ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এই প্রচেষ্টাগুলি শুধুমাত্র গ্রামীণ ভারতকে সমৃদ্ধি করছে না, বরং লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকেও বদলে দিয়েছে৷ গ্রামগুলি এখন জৈব চাষের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করছে, যা কৃষকদের আয় বাড়িয়েছে। পতঞ্জলির অর্গানিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতো সংস্থাগুলি এতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে নারীদের স্বাবলম্বী করতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।






















