Trump Tariffs: ওষুধের ওপর ট্রাম্পের ১০০% শুল্ক, ৪ শতাংশ ধস ফার্মা স্টকে
Pharma Stocks Crash: ফের 'ট্রাম্প ফ্যাক্টর' ভারতের বাজারে । সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, লুপিন এবং অন্যান্য ভারতীয় ফার্মা স্টকগুলিতে বড় ধস নেমেছে।

Pharma Stocks Crash : অনেক দিন ধরেই ফার্মা কোম্পানিগুলির ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অবশেষে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়েছে। ট্রাম্পের ব্র্যান্ডেড আমদানি ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর ভারতের ফার্মা স্টকগুলিতে ধস নেমেছে।
কোন ফার্মা স্টকগুলিতে বড় ধাক্কা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে ব্র্যান্ডেড ও পেটেন্টযুক্ত ওষুধ আমদানির উপর ১০০% শুল্ক আরোপের ঘোষণা করার পর সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, লুপিন এবং অন্যান্য ভারতীয় ফার্মা স্টকগুলিতে বড় ধস নেমেছে। ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে, ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে যদি কোম্পানিটি ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে থাকে, তবে ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের উপর শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
কেন চিন্তায় ভারতের ওষুধের কোম্পানিগুলি
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ ভারতীয় ওষুধ রপ্তানিকারকদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের ওষুধ রপ্তানির প্রায় ৩৫% মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিল, যার মূল্য ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার।
কিছু বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে
ট্রাম্পের এই শুল্ক আরোপের প্রভাব সম্পর্কে চয়েস ইনস্টিটিউশনাল ইক্যুইটিজের ফার্মা ও হেলথ সার্ভিসে অ্যানালিস্ট মৈত্রী শেঠ বলেছেন,“যদিও শুল্ক মূলত ব্র্যান্ডেড ওষুধকে লক্ষ্য করে আনা হয়েছে, তবে এতে জটিল জেনেরিক ও বিশেষ ওষুধগুলিও প্রভাবিত হতে পারে কিনা তা নিয়ে এখনও অস্পষ্টতা রয়েছে। যদিও এই ঘোষণা মার্কিন রপ্তানির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল কোম্পানিগুলির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কারখানাগুলির সঙ্গে সংস্থাগুলি অব্যাহতি পাবে, যা শুল্কের ঝুঁকি হ্রাস করার সুযোগ দেবে,”
কত রফতানি করে ভারত
বর্তমানে, জেনেরিক, ওটিসি ওষুধ, বিশেষ ওষুধগুলি নতুন শুল্ক থেকে বাদ রয়েছে, কারণ এগুলি মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের একটি পৃথক ধারা ২৩২ তদন্তের আওতায় পড়ে। ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিকের বৃহত্তম সরবরাহকারী , শুধুমাত্র ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হয়েছে।
কত শতাংশ ভারতের ওষুধ যায় আমেরিকায়
এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই ভারতের ওষুধ কোম্পানিগুলির শেয়ারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যে কারণে সরাসরি এর প্রভাব পড়তে পারে ভারতের বাজারেও। কারণ, আমেরিকা ভারত থেকে মোট ৩১ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে। নতুন শুল্ক হারের ফলে মার্কিন মুলুকে দাম বাড়বে ভারতীয় ওষুধের। ফলে আমেরিকার বাজারে কমতে পারে ভারতে তৈরি ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের চাহিদা।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রোডাকশন ইউনিট তৈরি করছে এমন কোম্পানিগুলির উপর প্রযোজ্য হবে না, যা তিনি "ব্রেকিং গ্রাউন্ড" বা "আন্ডার কনস্ট্রাকশন" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই কারখানা রয়েছে এমন কোম্পানিগুলির উপর শুল্ক কীভাবে প্রযোজ্য হবে তা স্পষ্ট ছিল না।






















