Petrol Diesel: ভারত-পাক যুদ্ধ-পরিস্থিতিতে হুড়মুড়িয়ে তেল ভরাতে ছুটছে সবাই, জ্বালানির সঞ্চয় নিয়ে কী বার্তা দিল ইন্ডিয়ান অয়েল ?
Petrol Diesel LPG Stock: ইন্ডিয়ান অয়েল এরপরে সাধারণ মানুষকে শান্ত ও নিশ্চিন্ত থাকতে বলেছে, অপ্রয়োজনে আতঙ্কে জ্বালানি কিনে সঞ্চয় করে রাখা থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

Indian Oil Corporation: ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে শুক্রবার ৯ মে জানানো হয়েছে যে দেশে এখনও জ্বালানি তেল এবং এলপিজির সঞ্চয় যথেষ্ট রয়েছে। একটি বিবৃতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এই তেল বিপণনকারী সংস্থা (Indian Oil) জানিয়েছে যে 'ইন্ডিয়ান অয়েলের কাছে সারা দেশেই যথেষ্ট জ্বালানি তেল এবং এলপিজির সঞ্চয় রয়েছে। আর আমাদের সরবরাহ লাইন ভালমত কাজ করছে সারা দেশেই। ভয়ে আতঙ্কে জ্বালানি কিংবা এলপিজি (Panic Buying) কিনে সঞ্চয় করে রাখার কোনও দরকার নেই। আমাদের সমস্ত আউটলেটেই যথেষ্ট পরিমাণে জ্বালানি ও এলপিজি রয়েছে'।
ইন্ডিয়ান অয়েল এরপরে সাধারণ মানুষকে শান্ত ও নিশ্চিন্ত থাকতে বলেছে, অপ্রয়োজনে আতঙ্কে জ্বালানি কিনে সঞ্চয় করে রাখা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। আর এই কাজের মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠুভাবে সরবরাহ বজায় রাখা যাবে বলেই জানিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল। আর এতে সকলের জন্যই যথাযোগ্য পরিমাণে জ্বালানি পেতে কোনও সমস্যা হবে না। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে ইন্ডিয়ান অয়েল লিখেছে, 'শান্ত থাকার মাধ্যমে, অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়ো এড়িয়ে আমাদের আপনাকে আরও ভালভাবে পরিষেবা প্রদান করতে সাহায্য করুন। এটি আমাদের সরবরাহ লাইনগুলিকে নির্বিঘ্নে চলমান রাখতে সাহায্য করবে, সকলের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানির যোগান নিশ্চিত করবে'।
সমজমাধ্যম এবং বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এমন ছবি যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলিতে তুমুল ভিড় কারণ সকলেই জ্বালানি তেল সঞ্চয় করে রাখার জন্য হুড়মুড়িয়ে ছুটছে। ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার পরেই এই ভিডিয়ো, ছবিগুলি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
আতঙ্কে তেল কিনে সঞ্চয় করছে নাগরিকরা
বুধবার পঞ্জাবের বেশ কিছু অংশে আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে বিশাল ভিড় ঠেলে নাগরিকদের জ্বালানি তেল ভরতে দেখা গিয়েছে। মূলত সীমান্ত নিকটবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলেই জানা গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে একটি স্থানীয় পেট্রোল পাম্পের মালিক জানিয়েছে যে জ্বালানি তেলের বিক্রি হু হু করে তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে, আর তা ঘটেছে মূলত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া উদ্বেগ ও আশঙ্কার কারণে।
ব্ল্যাক আউট
গতকাল বৃহস্পতিবার পঞ্জাবের বেশ কিছু অংশে ব্ল্যাক আউট করা হয়েছিল। পাঠানকোট, অমৃতসর, জলন্ধর, হোশিয়ারপুর, মোহালি, চণ্ডীগড়ে সীমান্ত এলাকায় পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান, ড্রোন হামলাও করেছে পাকিস্তান। পিটিআই প্রতিবেদন অনুসারে, রাত সাড়ে আটটার সময় ব্ল্যাক আউট শুরু হওয়ার পরে পরেই পাঠানকোটে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়।






















