Income Tax Act: নতুন আয়কর বিল কবে থেকে কার্যকর হবে ? নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের, কী কী বদল এসেছে ?
Income Tax Bill 2025: নতুন সরলীকৃত আইনে কোনও নতুন কর আরোপ করা হয়নি, কেবলমাত্র ভাষা সরলীকৃত করা হয়েছে, জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

Income Tax: আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি নতুন আয়কর আইন ২০২৫ জারি করেছে যা বগত ৬ দশক অর্থাৎ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বদলানো হয়নি। আর তাই ১৯৬১ সালের আয়কর আইনকে এই নতুন আইন প্রতিস্থাপন করবে এবং আয়কর আইনের বিধিগুলিকে একত্রীভূত করে সংশোধন করবে। আইন ও বিচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা একটি গেজেটের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আইনটি ২১ অগাস্ট রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেয়েছে।
নতুন সরলীকৃত আইন আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে অর্থাৎ আগামী অর্থবর্ষের শুরুর দিন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এতে কোনও নতুন কর আরোপ করা হয়নি, কেবলমাত্র ভাষা সরলীকৃত করা হয়েছে। এর ফলে আয়করের আইনগুলি সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা আরও সহজ হবে। নতুন এই আইনে অপ্রয়োজনীয় বিধি ও পুরনো ভাষা অপসারণ করা হয়েছে। ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের ধারার সংখ্যা ৮১৯ থেকে এই নতুন আইনে কমিয়ে করা হয়েছে ৫৩৬ এবং অধ্যায়ের সংখ্যা ৪৭ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ২৩। নতুন আয়কর আইনে শব্দসংখ্যা ৫.১২ লক্ষ থেকে কমিয়ে ২.৬ লক্ষ করা হয়েছে।
সংসদে এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন যে এই বদলগুলি মোটেও ভাসাভাসা নয়, এগুলি কর প্রশাসনের ক্ষেত্রে একটি নতুন সরলীকৃত পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটায়। এই অধিক কেন্দ্রীভূত আইনটি পড়া, বোঝা এবং বাস্তুবায়ন সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। নতুন আয়কর বিল ২০২৫ বিগত ১২ অগাস্ট তারিখে সংসদে অনুমোদিত হয়, রাজ্যসভা বিলটি লোকসভায় ফেরত পাঠায় যা ১১ অগাস্ট অনুমোদন করেছিল। এই বিল নিয়ে আলোচনায় সংসদে অর্থমন্ত্রী জানান, ‘১৯৬১ সালের আয়কর আইনের ঘন ও জটিল কাঠামোর ফলে বিভিন্ন ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছিল এবং বেশ কিছু এড়িয়ে চলার মত আইন তৈরি হয়েছিল বলে বিরোধও দেখা দিচ্ছিল। বিশেষত করের পরিমাণের কারণে নয়, এই আয়কর আইনের ভাষার জটিলতার কারণে এই বিরোধ দেখা যাচ্ছিল। সরকারকে বহু মামলা মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বিভিন্ন ধাঁচের ভাষ্যের মিশ্রণ থাকায় এই আইন ব্যবহার যে কারও পক্ষেই অত্যন্ত ক্লান্তিকর কাজ হয়ে উঠেছিল।’
অর্থমন্ত্রী সংশোধিত বিল উত্থাপন করার পরেই ১১ অগাস্ট লোকসভায় এই নতুন আয়কর আইন ২০২৫ পাস হয়। বিজেপি সাংসদ বৈজয়ন্ত পাণ্ডার নেতৃত্বে সংসদীয় নির্বাচন কমিটির বেশিরভাগ সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।






















