TCS Buyback: টিসিএসের স্টক আছে ? ৩৩০০ টাকার আপনার শেয়ার কোম্পানি কিনবে ৪১৫০ টাকায় , এই দিন বাইব্যাক
Tata Consultancy Services: অবশেষে TCS শেয়ারের বাইব্যাকের দিন ঘোষণা করেছে কোম্পানি। তাই দেশের বৃহত্তম আইটি কোম্পানিতে আপনার টাকা থাকলে লাভবান(Profit) হবেন।

Tata Consultancy Services: অনেকদিন ধরেই এই অপেক্ষায় বসেছিল বিনিয়োগকারীরা (Investment) । অবশেষে TCS শেয়ারের বাইব্যাকের দিন ঘোষণা করেছে কোম্পানি। তাই দেশের বৃহত্তম আইটি কোম্পানিতে আপনার টাকা থাকলে লাভবান(Profit) হবেন। টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (TCS)
কবে বাইব্যাকের দিন ঘোষণা
শেয়ার বাইব্যাক করার দিন ঘোষণা করেছে TCS । শেয়ার বাইব্যাক প্ল্যানের জন্য 25 নভেম্বর তারিখ ঠিক করা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জকে দেওয়া তথ্যে TCS বলেছে, বাইব্যাক পরিকল্পনায় জনগণের থেকে 17 হাজার কোটি টাকার শেয়ার কেনা হবে । কোম্পানি একটি ইক্যুইটি শেয়ারের দাম 4150 টাকা নির্ধারণ করেছে। বুধবার বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে (বিএসই) কোম্পানির শেয়ার 3399 টাকায় বন্ধ হয়েছে। TCS-এর বাজার মূলধন 13 লক্ষ কোটি টাকার বেশি। কোম্পানিতে প্রায় 6 লাখ কর্মচারী রয়েছে।
পঞ্চমবারের জন্য TCS বাইব্যাক
গত ৬ বছরে পঞ্চমবারের মতো বাইব্যাক প্ল্যান নিয়ে এসেছে কোম্পানিটি। এর আগে 2022 সালের জানুয়ারিতে, TCS 18 হাজার কোটি টাকার শেয়ার কিনেছিল। ২০২৩ সালে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ।
বাইব্যাক আসলে কী
যদি কোনও কোম্পানি বাজার থেকে তার শেয়ার কিনে নেয়, তাহলে তাকে বাইব্যাক বলে। এর মাধ্যমে কোম্পানি তার শেয়ারের বাজারমূল্য বাড়াতে চায়। কোম্পানিটি গত মাসে ঘোষণা করেছিল, তারা বাজার থেকে প্রায় 4 কোটি ইকুইটি শেয়ার বাইব্যাক করবে। TCS আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে 11,432 কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে।
বাইব্যাক করে লাভ কী?
শেয়ার বাইব্যাক একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। এই কারণে কোম্পানিটি বাজারকে একটি বার্তা দেয় যে তাদের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী। বাইব্যাকের কারণে বাজারে উপস্থিত কোম্পানির শেয়ারের সংখ্যা কমে যায় এবং শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পায়। এই কারণে কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে।
এছাড়া তারা প্রচুর আয়ও করে। শেয়ারহোল্ডাররা এই বাইব্যাকে তাদের সমস্ত বা কিছু শেয়ার বিক্রি করতে পারেন। তারা কোম্পানির আর্থিক অবস্থা সম্পর্কেও আশ্বস্ত হয়। এছাড়াও, বাইব্যাকের সিদ্ধান্তের পরে, প্রায়ই দেখা যায় যে কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। টিসিএসের এই সিদ্ধান্ত পিছিয়ে থাকা আইটি সেক্টরেও নতুন শক্তি দিতে পারে।
(মনে রাখবেন: এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না।)
Before You Go
Suvendu Adhikari: '৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে, যাঁরা কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করবে',বললেন মুখ্যমন্ত্রী
সেরা শিরোনাম






















