Youngest Billionaire: ৩০ বছরেই ১০,৮০০ কোটির মালিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রপ আউট এই তরুণী, বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ধনকুবের তিনিই
Lucy Guo Self-Made Billionaire: ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেমন্টে চিনা অভিবাসী বাবা-মায়ের কাছেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা লুসির। তাঁর বেড়ে ওঠার মূলে ছিল শৃঙ্খলা, মিতব্যয়িতা, অর্থের মূল্যের ক্রমাগত স্মরণ করিয়ে দেওয়া।

লুসি গুয়ো, নামটা শুনেছেন ? সম্প্রতি ফোর্বসের তালিকায় ৩০ বছর বয়সী সর্বকনিষ্ঠ সেলফ-মেড মহিলা ধনকুবের হিসেবে এই তরুণীর নামই উঠে এসেছে। আর কীভাবে তিনি নিজেই এত বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হলেন তা জানিয়েছেন। তাঁর বর্তমান সম্পদের মূল্য ১.৩ বিলিয়ন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০,৮০০ কোটি টাকা। স্কেল এআই-এর সহ প্রতিষ্ঠাতা লুসি গুয়ো। সম্প্রতি তাঁর এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ডেটা লেবেলিং ফার্মকে মেটা ২৫ বিলিয়ন ডলারে অধিগ্রহণ করেছে। তিনি এখন পাসেস নামে আরেকটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা যা ২০২২ সালে চালু হওয়া একটি কনটেন্ট মানিটাইজেশন প্ল্যাটফর্ম।
ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেমন্টে চিনা অভিবাসী বাবা-মায়ের কাছেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা লুসির। তাঁর বেড়ে ওঠার মূলে ছিল শৃঙ্খলা, মিতব্যয়িতা, অর্থের মূল্যের ক্রমাগত স্মরণ করিয়ে দেওয়া। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর বাবা-মায়েরা তাঁকে অ্যাবাকাস প্রতিযোগিতায় ফেলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে অবশ্যই তাঁকে ভাল শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করতে বাধ্য করা হয়েছিল। তাঁর বাবা-মায়ের মনোযোগের কারণেই তিনি কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স ও হিউম্যান কম্পিউটার ইন্ট্যারাকশন বিষয়ে পড়াশোনা করতে শুরু করেন। পড়াশোনায় মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগের বছরই পড়াশোনা ছেড়ে দেন।
তাঁর ডিগ্রি শেষ করার বদলে গুয়ো থিয়েল ফেলোশিপের জন্য চেষ্টা করেছিলেন যা একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রাম যা তরুণদের উদ্ভাবনী সংস্থা তৈরির জন্য ২ লক্ষ ডলার অনুদান দেয়। তাঁর মতে, ‘আমি কেবল নিজের উপরে বাজি ধরেছিলাম, আর যা আমাকে একটি ভাল ভবিষ্যতের জন্য অপ্টিমাইজ করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।’
ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কেটেছে তাঁর জীবন, বাবা-মায়ের থেকে পাওয়া শিক্ষায় মিতব্যয়িতা বজায় রেখে চলেছিলেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই অর্থ উপার্জনের উপায় খুঁজে বের করতেন তিনি, কীভাবে পোকেমন কার্ড, রঙিন পেন্সিল বিক্রি করতেন তাও জানিয়েছেন লুসি গুয়ো। এমনকী তাঁর বাবা-মা যখন তাঁর থেকে শাস্তি হিসেবে টাকা বাজেয়াপ্ত করে নেয়, তখন লুসি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়েন আর তবু তিনি দমে যাননি। একটি পে-প্যাল অ্যাকাউন্ট খুলে সেখান থেকে একটি ক্রেডিট কার্ড করিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।
তারপরে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ও কোডিংয়ের জ্ঞান হওয়ার পরে তিনি গেমের বট বা চিট কোড বিক্রি করতেন। ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট বানিয়ে গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে টাকা রোজগারের চেষ্টা করতেন তিনি, তারপরে ইন্টারনেট মার্কেটিং টুলও তৈরি করতেন তিনি। সেখান থেকেই আজ ১০,৮০০ কোটি টাকার মালিক লুসি গুয়ো।






















