SIR News: SIR আতঙ্কে ভুয়ো পরিচয়পত্র লোপাটের চেষ্টা? পানাপুকুর থেকে মিলল ৩ বস্তা আধার কার্ড!
Aadhaar Cards Found: ঘটনাটি ঘটেছে পূর্বস্থলীতে। আজ পূর্বস্থলীর একটি জলা জমি থেকে উদ্ধার করা হয় ৩ বস্তা আধার কার্ড!

কলকাতা: SIR নিয়ে দুই দলের দুই রকম প্রচারে বিভ্রান্তি বাড়ছে সাধারণ মানুষের। তৃণমূলের তরফ থেকে যেমন একদিকে বলা হচ্ছে যে, SIR-এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনই বিজেপির তরফ থেকে আবার বলা হচ্ছে, কেবলমাত্র অনুপ্রবেশকারীদেরই নাম বাদ যাবে, যাঁরা এই দেশের নাগরিক, তাঁদের কোনও সমস্যা নেই। অনেক জায়গা থেকেই অভিযোগ উঠে আসছে যে, ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে অনেকেই এই দেশে রয়েছেন। আর এই আবহেই, পানাপুকুর থেকে উদ্ধার হল, ৩ বস্তা আধার কার্ড!
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্বস্থলীতে। আজ পূর্বস্থলীর একটি জলা জমি থেকে উদ্ধার করা হয় ৩ বস্তা আধার কার্ড! প্রত্যেকটা আধার কার্ডেই ভিন্ন ভিন্ন নাম, ছবি ও পরিচয়পত্র। আধার কার্ডগুলি ভুয়ো বলে মনে করছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে কেউ এই আধার কার্ড জলা জমিতে ফেলে দিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা নিয়েও শুরু হয়েছে তৃণমূল বিজেপি তরজা। বিজেপির দাবি, SIR-এর ভয়েই ভুয়ো আধার কার্ড ফেলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে, নকল আধার কার্ড, তাই ফেলে দেওয়া হয়েছে। SIR আবহে যেখানে বারে বারে অভিযোগ উঠছে ভুয়ো নথি বানিয়ে এ দেশে থাকার, সেই পরিস্থিতিতে ৩ বস্তা আধার কার্ড উদ্ধার হওয়ার মতো ঘটনায় তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্যদিকে, ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে, গত কয়েকদিনে কখনও একের পর এক বাংলাদেশি গ্রেফতার হয়েছে, আবার কোথাও বাংলাদেশিদের হঠাৎ করে বেপাত্তা হয়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে! আর এসবের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, 'SIR' আতঙ্কেই কি ওপারে পালানোর চেষ্টা করছেন বাংলাদেশিরা? এই আবহে এবার বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের খুঁজতে বিশেষ অভিযানে নামতে চলেছে বিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশের লখনউ পুরসভা। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে লিখিত নির্দেশ জারি করেছেন লখনউ পুরসভার চেয়ারম্যান সুষমা খারাকওয়াল।
লখনউ পুরসভা সূত্রের খবর, পুরসভার আওতায় থাকা বিভিন্ন দফতরে প্রায় ১২ হাজার সাফাই কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বাংলাদেশি বলে অতীতে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গে যখন SIR প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখন লখনউ পুরসভার সাফাই কর্মীদের মধ্যে কে বাংলাদেশি, আর কে রোহিঙ্গা, তা খুঁজে দেখতে মাঠে নামছে পুর কর্তৃপক্ষ। পুরসভা সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানা গুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১ সপ্তাহের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে লখনউ পুরসভা।






















